ইতালিকে অভিশাপের গেরোয় বেঁধে বিশ্বকাপে বসনিয়া
- আপডেট সময় : ০২:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ৪৬২ বার পড়া হয়েছে
অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ খুঁজছিল ইতালি। তাদের উল্টো দুঃখের অথৈ সাগরে ভাসিয়ে দিল বসনিয়া। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্লে অফের ফাইনালে টাইব্রেকারে জেনোরি গাত্তুসোর দলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট কাটল বসনিয়া।
বসনিয়ার ঘরের মাঠ জেনিৎসার বিলোনো পোলজেতে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া ম্যাচ ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় টাইব্রেকারে গড়ায়। যেখানে ইতালির পিও এসপোসিতো ও ব্রায়ান ক্রিস্তানন্তে দুটি শট মিস করায় শেষ হাসিটা হাসে বসনিয়া।
টাইব্রেকারে প্রথম শট নেন বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরভিচ। তার বাঁ-দিকে নেওয়া শট বেশ সুন্দরভাবেই জালে জড়ায়। তবে প্রথম শট নিতে এসে ইতালির পিও এসপোসিতো গড়বড় করে বসেন। বারের ওপর দিয়ে বল পাঠান তিনি।
দ্বিতীয় শটটি সেভ করতে পারেননি জিয়ানলুইজি দোনারুম্মা। আর ইতালির দ্বিতীয় শট নিতে এসে টোনালি আর ভুল করেননি।
২-১ গোলে পিছিয়ে থাকার পর তৃতীয় শটে গোল কনসিভ করে ইতালি। ডান দিকে নেওয়া শট নেওয়া হলেও বাঁ-দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন ম্যানচেস্টার সিটি গোলকিপার।
চতুর্থ শটে এসে আবারও গোল আদায় করে বসনিয়া। তাকে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় । চতুর্থ শট দোনারুম্মা মিস করেন। আর শেষ ব্রায়ান মিস করলে স্বপ্নভঙ্গ হয় ইতালির।
এর আগে নিকোলাস ভাসিলজের ভুলে ম্যাচের ১৫তম মিনিটে এগিয়ে যায় ইতালি। বল রিসিভের পর তার দুর্বল ক্লিয়ারেন্স পৌঁছে যায় নিকোলো বারেল্লার কাছে। দ্রুতই তা মইজে কিনকে পাস দেন তিনি। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ভুল করেননি ফিওরেন্তিনা ফরোয়ার্ড। দারুণ এক শটে বসনিয়ার জালে বল জড়ান তিনি। তাতেই বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচঘড়ির ১৫ মিনিটে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ইতালি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৭৯তম মিনিটে তাবাকোভিচ বসনিয়াকে সমতায় ফেরান। জেকোর হেড প্রথমে রুখে দেন দোনারুম্মা। কিন্তু ফিরতি বল পেয়ে হারিস তাবাকোভিচ সেটি জালে জড়িয়ে দেন।
এর আগে অবশ্য ৫৯ মিনিটে মইজে কিনের জোড়া গোলের সুযোগ ছিল। প্রায় মধ্যমাঠ থেকে বল নিয়ে বসনিয়ার ডি বক্সের কাছে চলে যান ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড। গোলকিপারের সেঙ্গ ওয়ান টু পজিশনেও ছিলেন। তবে গড়বড় করে বসেন। তার লং রেঞ্চের শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়।
৯০ মিনিট সমতায় থাকায় বাড়তি সময় দেন রেফারি। সেখানেও কোনো দল এগিয়ে যেতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


























হাম উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী হাজার ছাড়াল