ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমাঞ্চলীয় জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা সবাই অভিবাসনপ্রত্যাশী বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে ত্রিপোলি-ভিত্তিক চিকিৎসকদের দল ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই সংস্থাটি জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জুওয়ারা উপকূল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ যথাযথ নিয়ম মেনে দাফন করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহটি ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বাকি দুজনের পরিচয় সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে নেটো-সমর্থিত বিদ্রোহে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ইউরোপে যাওয়ার প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধবিগ্রহ ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচতে আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষ প্রতিবছর লিবিয়া হয়ে বিপজ্জনক মরুভূমি এবং ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন, যা প্রায়শই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সূত্র: রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ ১৭ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:১৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমাঞ্চলীয় জুওয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে অন্তত ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা সবাই অভিবাসনপ্রত্যাশী বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে ত্রিপোলি-ভিত্তিক চিকিৎসকদের দল ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার’।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই সংস্থাটি জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জুওয়ারা উপকূল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ যথাযথ নিয়ম মেনে দাফন করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহটি ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বাকি দুজনের পরিচয় সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে নেটো-সমর্থিত বিদ্রোহে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ইউরোপে যাওয়ার প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধবিগ্রহ ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচতে আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষ প্রতিবছর লিবিয়া হয়ে বিপজ্জনক মরুভূমি এবং ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন, যা প্রায়শই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সূত্র: রয়টার্স