ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিকিট প্রতারণা নিয়ে রেলওয়ের সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনে যাত্রী হয়রানি ও টিকিট সংগ্রহ সংক্রান্ত প্রতারণা এড়াতে যাত্রীদের বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত অ্যাপ ‘রেল সেবা’ ব্যবহার করে টিকিট কেনার পরামর্শ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৩ মে) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বুধবার থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে যাত্রীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে। প্রকৃতপক্ষে তাদের টিকিট সংগ্রহের কোনো সক্ষমতা নেই। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিকাশ, নগদ বা অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে টাকা নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এমনকি ব্যবহৃত সিমকার্ডও বন্ধ করে ফেলে।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের নিবন্ধিত একটি আইডি ব্যবহার করে নির্ধারিত অ্যাপের মাধ্যমে এক যাত্রায় সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কেনা যায়। এ সময় সহযাত্রীদের নামও সিস্টেমে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।

বর্তমানে ঈদযাত্রা উপলক্ষ্যে ট্রেনের শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত অ্যাপ ‘রেল সেবা’ ছাড়া অন্য কোথাও ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে না। তাই অন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা মাধ্যম থেকে টিকিট কিনলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী, যে ব্যক্তির আইডি ব্যবহার করে টিকিট কেনা হবে, ভ্রমণের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেই মোবাইল ফোন ও ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। আইডিধারী ব্যক্তি ও টিকিটে উল্লেখিত সহযাত্রী ছাড়া অন্য কেউ ভ্রমণ করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো প্রতারকচক্র টিকিট সংগ্রহ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে বা অন্য কারও আইডি ব্যবহার করে কেনা টিকিট বিক্রির চেষ্টা করলে তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করতে হবে অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ও রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি)-এর সহায়তা নেওয়া যাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ের হটলাইন ১৩১ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে। সব ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টিকিট প্রতারণা নিয়ে রেলওয়ের সতর্কতা

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনে যাত্রী হয়রানি ও টিকিট সংগ্রহ সংক্রান্ত প্রতারণা এড়াতে যাত্রীদের বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত অ্যাপ ‘রেল সেবা’ ব্যবহার করে টিকিট কেনার পরামর্শ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৩ মে) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বুধবার থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে যাত্রীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে। প্রকৃতপক্ষে তাদের টিকিট সংগ্রহের কোনো সক্ষমতা নেই। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিকাশ, নগদ বা অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে টাকা নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এমনকি ব্যবহৃত সিমকার্ডও বন্ধ করে ফেলে।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের নিবন্ধিত একটি আইডি ব্যবহার করে নির্ধারিত অ্যাপের মাধ্যমে এক যাত্রায় সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কেনা যায়। এ সময় সহযাত্রীদের নামও সিস্টেমে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।

বর্তমানে ঈদযাত্রা উপলক্ষ্যে ট্রেনের শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত অ্যাপ ‘রেল সেবা’ ছাড়া অন্য কোথাও ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে না। তাই অন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা মাধ্যম থেকে টিকিট কিনলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী, যে ব্যক্তির আইডি ব্যবহার করে টিকিট কেনা হবে, ভ্রমণের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেই মোবাইল ফোন ও ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। আইডিধারী ব্যক্তি ও টিকিটে উল্লেখিত সহযাত্রী ছাড়া অন্য কেউ ভ্রমণ করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো প্রতারকচক্র টিকিট সংগ্রহ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে বা অন্য কারও আইডি ব্যবহার করে কেনা টিকিট বিক্রির চেষ্টা করলে তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করতে হবে অথবা বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ও রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি)-এর সহায়তা নেওয়া যাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ের হটলাইন ১৩১ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে। সব ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।