বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে আছেন যারা
- আপডেট সময় : ০১:১২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০২২ ৫১ বার পড়া হয়েছে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষের পথে। আর মাত্র এক ম্যাচের অপেক্ষা। ইতিমধ্যে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের শর্টলিস্ট প্রকাশ করেছে আইসিসি। যেখানে স্থান পেয়েছে কোহলি, শাহীন আফ্রিদি, বাটলার, হেলসের মতো বড় নাম।
মেলবোর্নে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ফাইনালের রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছে। বিশ্বকাপের শেষ বেলায় শিরোপার সঙ্গে আরো একটি ট্রফির অপেক্ষা। কে হবেন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট?
এরই মধ্যে ৯ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। যেখানে কোহলি, সুরিয়াকুমার, বাটলার, হেলস, শাহীন আফ্রিদি, সিকান্দার রাজার মতো ক্রিকেটাররা রয়েছেন। চলতি বিশ্বকাপে সেরা পারফর্মারদের তালিকায় যারা উপরের সারিতে।
২৯৬ রান নিয়ে আসরের সর্বাধিক রান কোহলির। বিশ্বকাপের আগে যার ধারাবাহিকতা ছিল চিন্তার বিষয়, সেই কিনা চারটি ফিফটি হাঁকিয়ে সবার উপরে। টিম ইন্ডিয়ার সেমিতে আসার পেছনে কোহলির বড় অবদান।
ভারতের আরেক ব্যাটার সুরিয়াকুমারও আছে সিরিজ সেরার দৌঁড়ে। থ্রি সিক্সটি ডিগ্রির নতুন খেতাব পাওয়া সুরিয়া বিশ্বকাপে নিজের জাত চিনিয়েছেন। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে তার তিনটি অর্ধশতক।
দুই ইংলিশ ওপেনার জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলসও আছেন এই তালিকায়। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ড অধিনায়ক সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আর দীর্ঘদিন পর ন্যাশনাল টিমে সুযোগ পেয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন হেলস। ২১১ রানে আ্সরে থ্রি লায়ন্সের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এই ব্যাটার।
পাকিস্তানের শাহীন আফ্রিদি চোট কাটিয়ে ফিরেছেন বিশ্বকাপে। আশাহত করেননি বিশ্বসেরা এই পেসার। ১০ উইকেট নিয়ে দলকে ফাইনালে তোলার অন্যতম নায়ক আফ্রিদি।
আরেক লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার শাদাব খানেরও আসরে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স। ব্যাটে-বলে সপ্রতিভ শাদাব। মেলবোর্নে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তার সেরাটা চাইবে পাকিস্তান।
এবারের বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের যতখানি সুখস্মৃতি, তার সিংহভাগই সিকান্দার রাজার। দলের জয়ে ব্যাটে-বলে যখনই প্রয়োজন হয়েছে, জ্বলে উঠেছেন রাজা। তিনিও আছেন আসর সেরার লড়াইয়ে।
শ্রীলঙ্কা বিদায় নিয়েছে সুপার টুয়েলভ থেকে। এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়নরা বিশ্বকাপে তেমন আলো কাড়তে পারেনি। তবে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা সর্বাধিক উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার দাবি জানিয়ে রেখেছেন।



























২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু