জঙ্গল সলিমপুরের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০২:২২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বর্তমান বাসিন্দাদের উচ্ছেদের কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার (৩১ মে) বেলা ১১টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান।
বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বর্তমান বাসিন্দাদের উচ্ছেদের কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। তাঁদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে এই এলাকা ঘিরে পরবর্তী উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এলাকার সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইতোমধ্যে এখানে র্যাবের ওপর হামলা, ক্যাম্প ভাঙচুরসহ সাম্প্রতিক ঘটনায় অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকিদের ব্যাপারেও তৎপরতা চলছে।
সারাদেশের অপরাধচিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু সলিমপুর নয়, সারা দেশে চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসীদের রুখে দিতে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। কেউ যদি জঙ্গল সলিমপুরের সাধারণ মানুষকে উচ্ছেদের ভয় দেখায় কিংবা চাঁদা দাবি করে, তবে সরাসরি নাম উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিন। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না।’
সলিমপুর এলাকায় জেলা কারাগার নির্মাণের স্থানান্তরের কাজও অনেকটা এগিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া জুয়া, মাদক ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইন সংশোধন করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ভূমিপ্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী,পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, র্যাব-৭ এর অধিনায়ক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী চট্টগ্রামের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
সফরের অংশ হিসেবে আজ দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামের এমপিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি এই এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন র্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। সেই ঘটনার পর গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের একটি যৌথ অভিযানে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রশাসন এবং আলীনগরে একটি অস্থায়ী যৌথ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।





















রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী