ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলি, অভিযানে আটক ২০

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে ক্যাম্পে গুলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। সন্ত্রাসী ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালিয়েছে বলেও র‍্যাব জানায়। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ১৫-২০ জনকে।
রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ হামলা চালানো হয়। র‍্যাব বলছে, আত্মরক্ষার্থে তারা পাল্টা গুলি ছুড়েছে। তবে হতাহতের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো খুদে বার্তায় এ তথ্য জানান। সেখানে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সংযোগ সড়ক ধরে এগোলে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিপরীত দিকে একটি সড়ক ঢুকে গেছে পাহাড়ের ভেতরে। সেই পথেই শুরু সলিমপুর। জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর, মূলত দুটি অংশে বিভক্ত এলাকাটি। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এখানে ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।

প্রথমবারের মতো গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য যৌথ অভিযান চালিয়ে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেন। এর আগে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়নি। উল্টো অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

৯ মার্চের যৌথ অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ইয়াসিন বাহিনীর প্রধান মো. ইয়াসিন, রোকন বাহিনীর প্রধান রোকন উদ্দিন; মশিউর রহমান, নুরুল হক ভান্ডারি, গাজী সাদেক, গোলাম গফুরসহ কয়েকজন ‘সন্ত্রাসী’ এখনো পলাতক। এলাকাবাসী জানান, অভিযানের আগে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা রোকনের দখলে আর আলীনগর এলাকা ইয়াসিনের দখলে ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলি, অভিযানে আটক ২০

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে ক্যাম্পে গুলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। সন্ত্রাসী ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালিয়েছে বলেও র‍্যাব জানায়। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ১৫-২০ জনকে।
রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ হামলা চালানো হয়। র‍্যাব বলছে, আত্মরক্ষার্থে তারা পাল্টা গুলি ছুড়েছে। তবে হতাহতের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো খুদে বার্তায় এ তথ্য জানান। সেখানে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সংযোগ সড়ক ধরে এগোলে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিপরীত দিকে একটি সড়ক ঢুকে গেছে পাহাড়ের ভেতরে। সেই পথেই শুরু সলিমপুর। জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর, মূলত দুটি অংশে বিভক্ত এলাকাটি। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এখানে ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।

প্রথমবারের মতো গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য যৌথ অভিযান চালিয়ে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেন। এর আগে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়নি। উল্টো অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

৯ মার্চের যৌথ অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ইয়াসিন বাহিনীর প্রধান মো. ইয়াসিন, রোকন বাহিনীর প্রধান রোকন উদ্দিন; মশিউর রহমান, নুরুল হক ভান্ডারি, গাজী সাদেক, গোলাম গফুরসহ কয়েকজন ‘সন্ত্রাসী’ এখনো পলাতক। এলাকাবাসী জানান, অভিযানের আগে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা রোকনের দখলে আর আলীনগর এলাকা ইয়াসিনের দখলে ছিল।