ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিলেন বিএনপি দলীয় এমপিরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রথম ধাপে সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনা ১১টা নাগাদ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে তাদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ শপথের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করছে। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় একজন ক্ষমতায় আসছেন। তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি এবং মা খালেদা জিয়া ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী বিদায়ী সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে অপারগ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ দায়িত্ব পালন করবেন।

বিদায়ী সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু খুনের মামলায় জেলে থাকায় তারা গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে পারবেন না। সংবিধান অনুযায়ী নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

সকালে শপথ নেওয়া শেষ হলে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দল ও জোটের এমপিরা বৈঠক করে তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন। বিভিন্ন দলের যারা সংসদীয় দলনেতা নির্বাচিত হবেন, তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের দলনেতাকে রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন।

বিএনপির কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, তারা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ফলে তারেক রহমানকেই রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেবেন। এ চিঠি পাওয়ার পরই তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের তালিকা পাঠিয়ে দেবেন। কেবিনেট ডিভিশন মন্ত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা গাড়ি পাঠিয়ে দেবে যার যার কাছে।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ জন শপথ নিতে পারেন।

সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ২০৯ জন এমপি নির্বাচিত হন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ থেকে তারেক রহমান পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-২-এর জয়ী সারোয়ার আলমগীর ও চট্টগ্রাম-৪-এর আসলাম চৌধুরীর ঋণখেলাপির বিষয়টি আদালতে থাকায় এ দুই আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে।

বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের সভায় জোটের শরিক তিন এমপি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। এ তিনজন মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেতে পারেন।

বিএনপি সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচনের বাইরে উপনেতা (মন্ত্রী মর্যাদার), চিফ হুইপ এবং ছয়জন হুইপ নির্বাচন করার কথা রয়েছে। সংসদ উপনেতা হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম শোনা যাচ্ছে।

বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া জামায়াত জোট তাদের সংসদীয় দলের সভায় জোটের শরিকদের আমন্ত্রণ জানাবে। সেখানে বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও চিফ হুইপ ও হুইপ নির্বাচন করা হবে। বিরোধীদলীয় নেতা মন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করে থাকেন।

বিএনপি সর্বশেষ ২০০১ সালে সরকার গঠন করেছিল। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ওই চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষ হয় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর। এর আগে তিনি স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পরও স্বল্প সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের হাতে নিহত হন।

এবারের নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলে বিএনপি ২০৯টি আসন এবং তার মিত্ররা পেয়েছে ৩টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে ৬৮টি আসনে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি এবং অন্য শরিকেরা আরও ৩টি আসন পেয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে।

তারেক রহমান এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দল সরকার গঠন করলে তারেক রহমানই হবেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান গতকাল ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন। ওই আসনে এখন উপনির্বাচনের আয়োজন করবে ইসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিলেন বিএনপি দলীয় এমপিরা

আপডেট সময় : ১১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রথম ধাপে সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনা ১১টা নাগাদ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে তাদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ শপথের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করছে। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মধ্য দিয়ে জিয়া পরিবারের তৃতীয় একজন ক্ষমতায় আসছেন। তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি এবং মা খালেদা জিয়া ছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী বিদায়ী সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে অপারগ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ দায়িত্ব পালন করবেন।

বিদায়ী সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু খুনের মামলায় জেলে থাকায় তারা গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়াতে পারবেন না। সংবিধান অনুযায়ী নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

সকালে শপথ নেওয়া শেষ হলে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দল ও জোটের এমপিরা বৈঠক করে তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন। বিভিন্ন দলের যারা সংসদীয় দলনেতা নির্বাচিত হবেন, তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের দলনেতাকে রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন।

বিএনপির কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, তারা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। ফলে তারেক রহমানকেই রাষ্ট্রপতি সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেবেন। এ চিঠি পাওয়ার পরই তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের তালিকা পাঠিয়ে দেবেন। কেবিনেট ডিভিশন মন্ত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা গাড়ি পাঠিয়ে দেবে যার যার কাছে।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ জন শপথ নিতে পারেন।

সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ২০৯ জন এমপি নির্বাচিত হন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ থেকে তারেক রহমান পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-২-এর জয়ী সারোয়ার আলমগীর ও চট্টগ্রাম-৪-এর আসলাম চৌধুরীর ঋণখেলাপির বিষয়টি আদালতে থাকায় এ দুই আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে।

বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের সভায় জোটের শরিক তিন এমপি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। এ তিনজন মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেতে পারেন।

বিএনপি সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচনের বাইরে উপনেতা (মন্ত্রী মর্যাদার), চিফ হুইপ এবং ছয়জন হুইপ নির্বাচন করার কথা রয়েছে। সংসদ উপনেতা হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম শোনা যাচ্ছে।

বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া জামায়াত জোট তাদের সংসদীয় দলের সভায় জোটের শরিকদের আমন্ত্রণ জানাবে। সেখানে বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা ও চিফ হুইপ ও হুইপ নির্বাচন করা হবে। বিরোধীদলীয় নেতা মন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করে থাকেন।

বিএনপি সর্বশেষ ২০০১ সালে সরকার গঠন করেছিল। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ওই চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষ হয় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর। এর আগে তিনি স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পরও স্বল্প সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের হাতে নিহত হন।

এবারের নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলে বিএনপি ২০৯টি আসন এবং তার মিত্ররা পেয়েছে ৩টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে ৬৮টি আসনে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি এবং অন্য শরিকেরা আরও ৩টি আসন পেয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে।

তারেক রহমান এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুটি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দল সরকার গঠন করলে তারেক রহমানই হবেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান গতকাল ঢাকা-১৭ আসন রেখে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিয়েছেন। ওই আসনে এখন উপনির্বাচনের আয়োজন করবে ইসি।