ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের স্কুলে ঢুকে ৯ জনকে ঝাঁঝরা করে গুলিতে আত্মঘাতী কিশোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্কুলে বন্দুকবাজি থামছেই না। দু’দিনে দুই হামলায় তোলপাড় তুরস্ক। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তুরস্কে ফের স্কুলে গুলির ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কাহরামানমারাসের আইসার চালিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বুধবার (১৫ এপ্রিল) হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ঘটনায় অন্তত নয় জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে পড়ুয়া ও শিক্ষক রয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ২০ জন।

কাহরামানমারাসের গভর্নর মুকেরেম উনলুয়ের জানিয়েছেন, হামলাকারী ওই স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র। সে তার বাবার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যাগে লুকিয়ে স্কুলে নিয়ে এসে এই হামলা চালায়। ঘটনায় ওই ছাত্রও মারা গেছে বলে বলে খবর। সেখানকার স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই বিপুল সংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসকের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগের দিনই সানলিউরফার-র সিভেরেক জেলায় একটি ভোকেশনাল হাইস্কুলে গুলির ঘটনা ঘটে। সেখানে এক ১৭ বছরের কিশোর শটগান নিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায়। ঘটনায় ১৬ জন আহত হন, যাদের বেশিরভাগই ছাত্রছাত্রী। সানলিউরফার রাজ্যপাল হাসান সিলদাক জানিয়েছেন, হামলার পর অভিযুক্ত নিজেই গুলি করে আত্মহত্যা করে। জানা গিয়েছে, সে ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র এবং ২০০৭ সালে জন্ম।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, স্কুল প্রাঙ্গণে ঢুকেই সে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে রয়েছেন ১০ জন ছাত্র, ৪ জন শিক্ষক, ১ জন পুলিশকর্মী এবং ১ জন ক্যান্টিন কর্মী। পরপর দুই দিনের এই ঘটনায় তুরস্কজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্কের স্কুলে ঢুকে ৯ জনকে ঝাঁঝরা করে গুলিতে আত্মঘাতী কিশোর

আপডেট সময় : ১২:৫০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

স্কুলে বন্দুকবাজি থামছেই না। দু’দিনে দুই হামলায় তোলপাড় তুরস্ক। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তুরস্কে ফের স্কুলে গুলির ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কাহরামানমারাসের আইসার চালিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বুধবার (১৫ এপ্রিল) হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ঘটনায় অন্তত নয় জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে পড়ুয়া ও শিক্ষক রয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ২০ জন।

কাহরামানমারাসের গভর্নর মুকেরেম উনলুয়ের জানিয়েছেন, হামলাকারী ওই স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র। সে তার বাবার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যাগে লুকিয়ে স্কুলে নিয়ে এসে এই হামলা চালায়। ঘটনায় ওই ছাত্রও মারা গেছে বলে বলে খবর। সেখানকার স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই বিপুল সংখ্যক অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসকের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগের দিনই সানলিউরফার-র সিভেরেক জেলায় একটি ভোকেশনাল হাইস্কুলে গুলির ঘটনা ঘটে। সেখানে এক ১৭ বছরের কিশোর শটগান নিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায়। ঘটনায় ১৬ জন আহত হন, যাদের বেশিরভাগই ছাত্রছাত্রী। সানলিউরফার রাজ্যপাল হাসান সিলদাক জানিয়েছেন, হামলার পর অভিযুক্ত নিজেই গুলি করে আত্মহত্যা করে। জানা গিয়েছে, সে ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র এবং ২০০৭ সালে জন্ম।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, স্কুল প্রাঙ্গণে ঢুকেই সে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে রয়েছেন ১০ জন ছাত্র, ৪ জন শিক্ষক, ১ জন পুলিশকর্মী এবং ১ জন ক্যান্টিন কর্মী। পরপর দুই দিনের এই ঘটনায় তুরস্কজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।