দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে
- আপডেট সময় : ১০:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকটে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি। এতে আবারও লোডশেডিং শুরু হয়েছে। শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তারা জানিয়েছে, এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে গ্যাস চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি বন্ধ। ঘাটতি মেটাতে সমন্বয় করে সারাদেশে লোডশেডিং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড।
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ার পর দীর্ঘদিন রাজধানীসহ শহরাঞ্চলে লোডশেডিং ছিল না। গেল কয়েকদিন ধরে গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি রাজধানীতেও লোডশেডিং হচ্ছে দুই তিন ঘন্টা করে।
সারাদেশে মোট বিদ্যুৎ সংযোগের প্রায় ৫৫ শতাংশ পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ। গ্রাহকদের বেশিরভাগ গ্রামীণ জনপদের মানুষ। তারাই লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছে বেশি।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজি’র দাম বেড়েছে। তাই খোলাবাজার থেকে আপাতত তরল প্রাকৃতিক গ্যাস কিনছে না সরকার। দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৭০ থেকে ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বেশিরভাগ ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। এখন সরবরাহ করা হচ্ছে ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। গ্যাসের ঘাটতির কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং করে সংকট মোকাবেলার চেষ্টা চলছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন জানান, দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা ১৫ হাজার মেগাওয়াট। দুই দিন আগেও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু গ্যাস সংকটে এখন তা নেমে এসেছে ১২ হাজার মেগাওয়াটে। গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেই উৎপাদন হতো সাড়ে ১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এখন হচ্ছে সাড়ে চার হাজার মেগাওয়াট।
তিনি জানান, বিদ্যুত সাশ্রয়ে দোকানপাট, শপিংমল বন্ধের সময় এগিয়ে আনাসহ আরো নতুন কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে।
























হাম উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী হাজার ছাড়াল