ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দেশে বিচারাধীন মামলার তুলনায় জজের সংখ্যা কম। সেই তুলনায় ট্রায়াল আইনজীবীর সংখ্যাও কম। এই ফ্যাক্টগুলো একটি মামলার দীর্ঘসূত্রতার কারণ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যতটা স্বাধীন অন্য কোনো জায়গায় তা খুব কম। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা সাংবিধানিকভাবে এতটাই স্বাধীন যে, যেখানে তাদের পোস্টিং-প্রমোশন কোনো কিছুই সরকারের হাতে নাই। কিন্তু সেই স্বাধীনতার অন্য রূপও আমরা দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগে আমরা শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ হতেও দেখেছি। সেই স্বাধীনতা আমাদের দেশের নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করতে পারতো না। আমাদের দেশের অধস্তন আদালতে জজ সাহেবরা নিজেদের বিদ্যা-বুদ্ধি দিয়ে যে রায় দেন সেখানে সরকারের কোনো কিছু করার থাকে না ও বাংলাদেশ সরকার সবচেয়ে বেশী মামলায় পক্ষ এবং সরকারই সেখানে সবচেয়ে বেশী হেরে যায়।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে আদালত নিয়ন্ত্রণ করা হয় — এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপির এমন বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ যা বলেছেন তা আদালত অবমাননার শামিল। বিচারকরা বিচারকার্যে সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করছে বলেই এনসিপি নেতারা মামলায় গ্রেফতারের পরদিনই জামিন পেয়েছেন। কাজেই এগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা এ কথাগুলো বলছেন।

ঝিনাইদহের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীলতার কোনো ঘাটতি ছিল না ও বিচারকরা স্বাধীনভাবে এ বিষয়ে ফাংশন করেছেন বলেও মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দেশে বিচারাধীন মামলার তুলনায় জজের সংখ্যা কম। সেই তুলনায় ট্রায়াল আইনজীবীর সংখ্যাও কম। এই ফ্যাক্টগুলো একটি মামলার দীর্ঘসূত্রতার কারণ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যতটা স্বাধীন অন্য কোনো জায়গায় তা খুব কম। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা সাংবিধানিকভাবে এতটাই স্বাধীন যে, যেখানে তাদের পোস্টিং-প্রমোশন কোনো কিছুই সরকারের হাতে নাই। কিন্তু সেই স্বাধীনতার অন্য রূপও আমরা দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগে আমরা শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ হতেও দেখেছি। সেই স্বাধীনতা আমাদের দেশের নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করতে পারতো না। আমাদের দেশের অধস্তন আদালতে জজ সাহেবরা নিজেদের বিদ্যা-বুদ্ধি দিয়ে যে রায় দেন সেখানে সরকারের কোনো কিছু করার থাকে না ও বাংলাদেশ সরকার সবচেয়ে বেশী মামলায় পক্ষ এবং সরকারই সেখানে সবচেয়ে বেশী হেরে যায়।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে আদালত নিয়ন্ত্রণ করা হয় — এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপির এমন বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ যা বলেছেন তা আদালত অবমাননার শামিল। বিচারকরা বিচারকার্যে সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচারকরা স্বাধীনভাবে কাজ করছে বলেই এনসিপি নেতারা মামলায় গ্রেফতারের পরদিনই জামিন পেয়েছেন। কাজেই এগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা এ কথাগুলো বলছেন।

ঝিনাইদহের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীলতার কোনো ঘাটতি ছিল না ও বিচারকরা স্বাধীনভাবে এ বিষয়ে ফাংশন করেছেন বলেও মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।