ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশের বাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্ববাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে দেশের স্বর্ণের বাজারে। সম্প্রতি দাম কমার রেশ না কাটতেই আবারও একদিনের ব্যবধানে দুই দফায় উত্থান দেখে দেশের জুয়েলারি খাত। সর্বশেষ গত ৭ মে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা নতুন করে দাম সমন্বয় করেছে। সেই দামেই আজ (শনিবার) স্বর্ণ কেনাবেচা হবে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের কিনতে দাম পড়বে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে গত ৭ মে স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে আরেক দফা বাড়ানো হয় রুপার দাম। সেই দামেই আজ শনিবার কিনতে হবে মূল্যবান এ ধাতু। প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা পড়ছে।

অপরদিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও বেড়েছে। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার (৮ মে) লেনদেন শেষে দেখা গেছে, স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭২৩ দশমিক ২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৭৩৩ ডলারে পৌঁছেছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। রূপার দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮০ দশমিক ৮৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম বাড়লেও সামান্য কমেছে প্যালাডিয়ামের দাম।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটের সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হওয়া স্বস্তি মুদ্রাস্ফীতি ও উচ্চ সুদের হারের দুশ্চিন্তাকে কিছুটা আড়াল করেছে। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশের বাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম

আপডেট সময় : ০২:২২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

বিশ্ববাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে দেশের স্বর্ণের বাজারে। সম্প্রতি দাম কমার রেশ না কাটতেই আবারও একদিনের ব্যবধানে দুই দফায় উত্থান দেখে দেশের জুয়েলারি খাত। সর্বশেষ গত ৭ মে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা নতুন করে দাম সমন্বয় করেছে। সেই দামেই আজ (শনিবার) স্বর্ণ কেনাবেচা হবে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের কিনতে দাম পড়বে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এদিকে গত ৭ মে স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে আরেক দফা বাড়ানো হয় রুপার দাম। সেই দামেই আজ শনিবার কিনতে হবে মূল্যবান এ ধাতু। প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা পড়ছে।

অপরদিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও বেড়েছে। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার (৮ মে) লেনদেন শেষে দেখা গেছে, স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭২৩ দশমিক ২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৭৩৩ ডলারে পৌঁছেছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। রূপার দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮০ দশমিক ৮৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম বাড়লেও সামান্য কমেছে প্যালাডিয়ামের দাম।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটের সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হওয়া স্বস্তি মুদ্রাস্ফীতি ও উচ্চ সুদের হারের দুশ্চিন্তাকে কিছুটা আড়াল করেছে। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই।