ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরাজয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

স্পোটর্স ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেনদের দারুণ বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডকে নাগালের মধ্যে রাখল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটাররা পারলেন না নিজেদের কাজ সারতে। ফলে আশা জাগালেও মিলল না জয়। পরাজয়ে শুরু হলো ওয়ানডে সিরিজ।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারায় নিউ জিল্যান্ড। আগে ব্যাট করে তারা পায় ২৪৭ রানের পুঁজি। জবাবে ২২১ রানের গুটিয়ে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।

প্রায় ১৭ মাস পর ফেরার ম্যাচে ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। ব্যাট হাতে ফিফটির দেখা পান সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। তবে তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভয়াবহ। চতুর্থ ওভারে নাথান স্মিথের পরপর দুই বলে বোল্ড হয়ে যান তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ২ রানের বেশি করতে পারেননি তামিম। আর রানের খাতাই খুলতে পারেননি শান্ত। এ নিয়ে ১৩ ইনিংসে ফিফটি নেই তার।

বাংলাদেশের বিপদ হতে পারত দ্বিতীয় ওভারেই। স্মিথের বলে স্লিপে সাইফ হাসানের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন হেনরি নিকোলস। মাত্র ১ রানে জীবন পেয়ে বাংলাদেশকে চাপ থেকে উদ্ধার করেন সাইফ।

তৃতীয় উইকেটে লিটন কুমার দাসের সঙ্গে সাইফ গড়েন ১১৬ বলে ৯৩ রানের জুটি। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বাংলাদেশ তখন জয়ের ছবি আঁকতে শুরু করে। তখনই হুট করে উইলিয়াম ও’রোকের বলে ক্যাচ আউট হয়ে যান সাইফ।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটিতে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৭৬ বলে ৫৭ রান করেন সাইফ। ফিফটির সম্ভাবনা জাগান লিটনও। কিন্তু ডিন ফক্সক্রফটের দারুণ ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান তিনি ৪৬ রান করে। ফলে তার ফিফটির অপেক্ষা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ ইনিংসে।

এরপর হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। শুরুতে মন্থর ব্যাটিংয়ে রানের চাপ কিছুটা বাড়িয়ে ফেলেন দুজন। মাঝে ৯১ বল কোনো বাউন্ডারি পায়নি বাংলাদেশ। তবে দায়িত্ব নিয়ে উইকেটে টিকে থেকে দলকে এগিয়ে নেন হৃদয় ও আফিফ।

দুজন মিলে ৭৭ বলে পূর্ণ করেন পঞ্চাশ রানের জুটি। এর পরপর জেডেন লেনক্সের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন আফিফ। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৯ বলে ২৭ রানের ইনিংস।

আফিফের বিদায়ের পর টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ (১৪ বলে ৬)। পরে একই ওভারে ফিরে যান রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। এরপর আর একা পারেননি হৃদয়। ব্যক্তিগত ফিফটিটাই শুধু সান্ত্বনা ছিল তার।

শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৬০ বলে ৫৫ রান করেন হৃদয়।

নিউ জিল্যান্ডের হয়ে ৪টি উইকেট নেন ব্লেয়ার টিকনার। স্মিথের শিকার ৩ উইকেট।

ম্যাচের প্রথমভাগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে তেমন সুবিধা করতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। মোস্তাফিজুর রহমান শেষ মুহূর্তে ছিটকে গেলে প্রায় ১৭ মাস পর ওয়ানডে খেলার সুযোগ পেয়ে প্রথম আঘাত করেন শরিফুল। সপ্তম ওভারে তিনি বোল্ড করেন নিক কেলিকে।

প্রথম ১০ ওভারে ৩৮ রানের বেশি করতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। নবম ওভারে তাদের বিপদ বাড়তে পারত। শরিফুলের বলে স্লিপে উইল ইয়াংয়ের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন সাইফ। ফলে ১ রানে বেঁচে যান ইয়াং।

শুরুর ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়েন নিকোলস ও ইয়াং। রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ করতে স্লিপে ক্যাচ দেন ৩০ রান করা ইয়াং।

কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মিরাজ। পরের ওভারে আবার রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেট দিয়ে আসেন সেট হয়ে যাওয়া ওপেনার নিকোলস। ৯ চারে তিনি খেলেন ৮৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংস।

এরপর দায়িত্ব নেন ন ফক্সক্রফট। ২০২৩ সালের বাংলাদেশ সফরে একমাত্র ম্যাচ খেলা এই স্পিনিং অলরাউন্ডার এদিন চমৎকার ব্যাটিংয়ে ৫৮ বলে করেন ৫৯ রান। ৩৯তম ওভারে রিশাদের বলে স্লিপে তার ক্যাচ ছেড়ে দেন তামিম। ফলে ২৭ রানে বেঁচে যান তিনি।

শেষ দিকে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংসে নিউ জিল্যান্ডকে আড়াইশর কাছে নিয়ে যান নাথান স্মিথ। পুরো ইনিংসে কোনো ছক্কা মারতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড।

পূর্ণ ৫০ ওভারের ম্যাচে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর এই প্রথম কোনো ম্যাচে ছক্কা মারতে পারল না তারা। আর মিরপুরের মাঠে পুরো ৫০ ওভার খেলেও কোনো দলের ছক্কা মারতে না পারার ঘটনা এটিই প্রথম।

ফেরার ম্যাচে ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ২৭ রানে ২ উইকেট নেন শরিফুল। সব মিলিয়ে করেন ৪২টি ডট বল। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউ জিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৪৭/৮ (নিকোলস ৬৮, কেলি ৭, ইয়াং ৩০, ল্যাথাম ১৪, আব্বাস ১৪, ফক্সক্রফট ৫৯, ক্লার্কসন ৮, স্মিথ ২১*, টিকনার ৭, লেনক্স ১*; তাসকিন ১০-০-৫০-২, শরিফুল ১০-২-২৭-২, মিরাজ ১০-১-৫৪-১, নাহিদ ১০-০-৬৫-১, রিশাদ ১০-০-৪৪-২)

বাংলাদেশ: ৪৮.৩ ওভারে ২২১ (সাইফ ৫৭, তামিম ২, শান্ত ০, লিটন ৪৬, হৃদয় ৫৫, আফিফ ২৭, মিরাজ ৬, রিশাদ ৪, শরিফুল ০, তাসকিন ২, নাহিদ ০*; ও’রোক ৯-০-৫১-১, স্মিথ ৯.৩-১-৪৬-৩, টিকনার ১০-০-৪০-৪, ক্লার্কসন ৪-০-২৭-০, লেনক্স ১০-০-৩২-১, ফক্সক্রফট ৬-০-২৫-১০)

ফল: নিউ জিল্যান্ড ২৬ রানে জয়ী

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পরাজয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ১০:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেনদের দারুণ বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডকে নাগালের মধ্যে রাখল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটাররা পারলেন না নিজেদের কাজ সারতে। ফলে আশা জাগালেও মিলল না জয়। পরাজয়ে শুরু হলো ওয়ানডে সিরিজ।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারায় নিউ জিল্যান্ড। আগে ব্যাট করে তারা পায় ২৪৭ রানের পুঁজি। জবাবে ২২১ রানের গুটিয়ে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।

প্রায় ১৭ মাস পর ফেরার ম্যাচে ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। ব্যাট হাতে ফিফটির দেখা পান সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। তবে তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

রান তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভয়াবহ। চতুর্থ ওভারে নাথান স্মিথের পরপর দুই বলে বোল্ড হয়ে যান তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ২ রানের বেশি করতে পারেননি তামিম। আর রানের খাতাই খুলতে পারেননি শান্ত। এ নিয়ে ১৩ ইনিংসে ফিফটি নেই তার।

বাংলাদেশের বিপদ হতে পারত দ্বিতীয় ওভারেই। স্মিথের বলে স্লিপে সাইফ হাসানের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন হেনরি নিকোলস। মাত্র ১ রানে জীবন পেয়ে বাংলাদেশকে চাপ থেকে উদ্ধার করেন সাইফ।

তৃতীয় উইকেটে লিটন কুমার দাসের সঙ্গে সাইফ গড়েন ১১৬ বলে ৯৩ রানের জুটি। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বাংলাদেশ তখন জয়ের ছবি আঁকতে শুরু করে। তখনই হুট করে উইলিয়াম ও’রোকের বলে ক্যাচ আউট হয়ে যান সাইফ।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটিতে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৭৬ বলে ৫৭ রান করেন সাইফ। ফিফটির সম্ভাবনা জাগান লিটনও। কিন্তু ডিন ফক্সক্রফটের দারুণ ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান তিনি ৪৬ রান করে। ফলে তার ফিফটির অপেক্ষা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ ইনিংসে।

এরপর হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। শুরুতে মন্থর ব্যাটিংয়ে রানের চাপ কিছুটা বাড়িয়ে ফেলেন দুজন। মাঝে ৯১ বল কোনো বাউন্ডারি পায়নি বাংলাদেশ। তবে দায়িত্ব নিয়ে উইকেটে টিকে থেকে দলকে এগিয়ে নেন হৃদয় ও আফিফ।

দুজন মিলে ৭৭ বলে পূর্ণ করেন পঞ্চাশ রানের জুটি। এর পরপর জেডেন লেনক্সের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে লং অনে ধরা পড়েন আফিফ। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৯ বলে ২৭ রানের ইনিংস।

আফিফের বিদায়ের পর টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ (১৪ বলে ৬)। পরে একই ওভারে ফিরে যান রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। এরপর আর একা পারেননি হৃদয়। ব্যক্তিগত ফিফটিটাই শুধু সান্ত্বনা ছিল তার।

শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৬০ বলে ৫৫ রান করেন হৃদয়।

নিউ জিল্যান্ডের হয়ে ৪টি উইকেট নেন ব্লেয়ার টিকনার। স্মিথের শিকার ৩ উইকেট।

ম্যাচের প্রথমভাগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে তেমন সুবিধা করতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। মোস্তাফিজুর রহমান শেষ মুহূর্তে ছিটকে গেলে প্রায় ১৭ মাস পর ওয়ানডে খেলার সুযোগ পেয়ে প্রথম আঘাত করেন শরিফুল। সপ্তম ওভারে তিনি বোল্ড করেন নিক কেলিকে।

প্রথম ১০ ওভারে ৩৮ রানের বেশি করতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। নবম ওভারে তাদের বিপদ বাড়তে পারত। শরিফুলের বলে স্লিপে উইল ইয়াংয়ের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন সাইফ। ফলে ১ রানে বেঁচে যান ইয়াং।

শুরুর ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়েন নিকোলস ও ইয়াং। রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ করতে স্লিপে ক্যাচ দেন ৩০ রান করা ইয়াং।

কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মিরাজ। পরের ওভারে আবার রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেট দিয়ে আসেন সেট হয়ে যাওয়া ওপেনার নিকোলস। ৯ চারে তিনি খেলেন ৮৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংস।

এরপর দায়িত্ব নেন ন ফক্সক্রফট। ২০২৩ সালের বাংলাদেশ সফরে একমাত্র ম্যাচ খেলা এই স্পিনিং অলরাউন্ডার এদিন চমৎকার ব্যাটিংয়ে ৫৮ বলে করেন ৫৯ রান। ৩৯তম ওভারে রিশাদের বলে স্লিপে তার ক্যাচ ছেড়ে দেন তামিম। ফলে ২৭ রানে বেঁচে যান তিনি।

শেষ দিকে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংসে নিউ জিল্যান্ডকে আড়াইশর কাছে নিয়ে যান নাথান স্মিথ। পুরো ইনিংসে কোনো ছক্কা মারতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড।

পূর্ণ ৫০ ওভারের ম্যাচে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর এই প্রথম কোনো ম্যাচে ছক্কা মারতে পারল না তারা। আর মিরপুরের মাঠে পুরো ৫০ ওভার খেলেও কোনো দলের ছক্কা মারতে না পারার ঘটনা এটিই প্রথম।

ফেরার ম্যাচে ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ২৭ রানে ২ উইকেট নেন শরিফুল। সব মিলিয়ে করেন ৪২টি ডট বল। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউ জিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৪৭/৮ (নিকোলস ৬৮, কেলি ৭, ইয়াং ৩০, ল্যাথাম ১৪, আব্বাস ১৪, ফক্সক্রফট ৫৯, ক্লার্কসন ৮, স্মিথ ২১*, টিকনার ৭, লেনক্স ১*; তাসকিন ১০-০-৫০-২, শরিফুল ১০-২-২৭-২, মিরাজ ১০-১-৫৪-১, নাহিদ ১০-০-৬৫-১, রিশাদ ১০-০-৪৪-২)

বাংলাদেশ: ৪৮.৩ ওভারে ২২১ (সাইফ ৫৭, তামিম ২, শান্ত ০, লিটন ৪৬, হৃদয় ৫৫, আফিফ ২৭, মিরাজ ৬, রিশাদ ৪, শরিফুল ০, তাসকিন ২, নাহিদ ০*; ও’রোক ৯-০-৫১-১, স্মিথ ৯.৩-১-৪৬-৩, টিকনার ১০-০-৪০-৪, ক্লার্কসন ৪-০-২৭-০, লেনক্স ১০-০-৩২-১, ফক্সক্রফট ৬-০-২৫-১০)

ফল: নিউ জিল্যান্ড ২৬ রানে জয়ী