ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল, ফিরছে পুরনো আইন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৫’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পাস হওয়া এই বিলের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের আনা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করে ২০০৯ সালের মূল আইনটি পুনরায় প্রচলিত করা হয়েছে।

বিলটি উত্থাপনের সময় এর তীব্র বিরোধিতা করেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন ফিরিয়ে আনলে মানবাধিকার কমিশনকে আবারও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারি দলের সদস্যরা চব্বিশের জুলাইয়ের আগে হলে এই বিল পাসের বিরোধিতা করতেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংসদ সদস্যের বক্তব্য রাজপথ বা জনসভার জন্য প্রাসঙ্গিক ও রসালো হলেও তিনি মূল বিলটি গুরুত্ব দিয়ে পড়েননি। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আরও যাচাই-বাছাই ও পরামর্শ করার প্রয়োজন রয়েছে। একইসঙ্গে কমিশনের কার্যক্রমে যেন কোনো শূন্যতা তৈরি না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি বহাল বা রেস্টোর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার ২০০৯ সালের মূল আইনটি সংশোধন করে নতুন একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যা আজকের এই বিল পাসের মাধ্যমে রহিত হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল, ফিরছে পুরনো আইন

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৫’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পাস হওয়া এই বিলের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের আনা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করে ২০০৯ সালের মূল আইনটি পুনরায় প্রচলিত করা হয়েছে।

বিলটি উত্থাপনের সময় এর তীব্র বিরোধিতা করেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন ফিরিয়ে আনলে মানবাধিকার কমিশনকে আবারও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারি দলের সদস্যরা চব্বিশের জুলাইয়ের আগে হলে এই বিল পাসের বিরোধিতা করতেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংসদ সদস্যের বক্তব্য রাজপথ বা জনসভার জন্য প্রাসঙ্গিক ও রসালো হলেও তিনি মূল বিলটি গুরুত্ব দিয়ে পড়েননি। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আরও যাচাই-বাছাই ও পরামর্শ করার প্রয়োজন রয়েছে। একইসঙ্গে কমিশনের কার্যক্রমে যেন কোনো শূন্যতা তৈরি না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি বহাল বা রেস্টোর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার ২০০৯ সালের মূল আইনটি সংশোধন করে নতুন একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যা আজকের এই বিল পাসের মাধ্যমে রহিত হলো।