ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আগ্রাসনের জবাব দিতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কর্মকাণ্ড এবং এর ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকারকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। রবিবার (১৭ মে) দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে আরাগচি এই মন্তব্য করেন। ফোনালাপে দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তেহরান ও সিউলের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্ক সম্প্রসারণের জন্য একটি দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আরাগচি বলেন, এই অঞ্চলে চাপিয়ে দেওয়া নিরাপত্তাহীনতা এবং এর বৈশ্বিক পরিণতির মূল কারণ হলো ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জন্য অপরাধীদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে বলে তিনি জোর দাবি জানান।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন এই অঞ্চলে এবং বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সিউলের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সাথে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফলপ্রসূ হবে। সূত্র: তাসনিম নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আগ্রাসনের জবাব দিতে হবে

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কর্মকাণ্ড এবং এর ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকারকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। রবিবার (১৭ মে) দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে আরাগচি এই মন্তব্য করেন। ফোনালাপে দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তেহরান ও সিউলের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্ক সম্প্রসারণের জন্য একটি দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আরাগচি বলেন, এই অঞ্চলে চাপিয়ে দেওয়া নিরাপত্তাহীনতা এবং এর বৈশ্বিক পরিণতির মূল কারণ হলো ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জন্য অপরাধীদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে বলে তিনি জোর দাবি জানান।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন এই অঞ্চলে এবং বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সিউলের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সাথে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফলপ্রসূ হবে। সূত্র: তাসনিম নিউজ