ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে উদ্ধার হয়নি শিশুটি, অব্যাহত সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারে পার হয়েছে ২০ ঘণ্টা। আজ (বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর) সকালেও উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। খননযন্ত্র দিয়ে মাটি খোঁড়ার কাজ অব্যাহত রেখেছে তারা। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে গর্তে পড়ার পর থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত বাচ্চাটির অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা জানতে পারেনি উদ্ধারকারীরা।

সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নলকূপের পাশে প্রায় ৩০ ফুট গর্ত খোঁড়ার কাজ শেষ। আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সুরঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুরু করছেন শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য।

কূপে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের তত্ত্বাবধানে রাতভর খননযন্ত্র দিয়ে ৩৫ ফিট গভীর বড় গর্ত খনন করে উদ্ধারকারিরা। সকালে সেই গর্ত থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শিশু সাজিদ যে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে ফায়ার সার্ভিস। তাতেও শিশুটির অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি। পরে আবারো শুরু হয়েছে গভীর নলকূপের গর্তের পাশের মাটি সরানোর কাজ। নানা কৌশলে চলছে উদ্ধার তৎপরতা।

উদ্ধারকারীরা বলছেন, নলকূপের গর্তের গভীরতা ১৫০ থেকে ৩০০ ফুট। এর ভেতরে যেকোনো জায়গায় শিশুটি আটকে থাকতে পারে।

উদ্ধার তৎপরতায় ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও মেডিকেল টিম ও স্থানীয় প্রশাসন উপস্থিত রয়েছেন।

জানা গেছে, গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপে শিশুটি পড়ে যায়। খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধারে নামেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। প্রথম অবস্থায় একটি স্কেভেটর দিয়ে মাটি খননের কাজ শুরু করা হয়। পরবর্তী সময় আরও দুটি স্কেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হয়। এমনভাবে রাতভর অভিযান পরিচালনা করে তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহীতে উদ্ধার হয়নি শিশুটি, অব্যাহত সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ

আপডেট সময় : ১০:৫০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারে পার হয়েছে ২০ ঘণ্টা। আজ (বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর) সকালেও উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। খননযন্ত্র দিয়ে মাটি খোঁড়ার কাজ অব্যাহত রেখেছে তারা। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে গর্তে পড়ার পর থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত বাচ্চাটির অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা জানতে পারেনি উদ্ধারকারীরা।

সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নলকূপের পাশে প্রায় ৩০ ফুট গর্ত খোঁড়ার কাজ শেষ। আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোর থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সুরঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুরু করছেন শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য।

কূপে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের তত্ত্বাবধানে রাতভর খননযন্ত্র দিয়ে ৩৫ ফিট গভীর বড় গর্ত খনন করে উদ্ধারকারিরা। সকালে সেই গর্ত থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শিশু সাজিদ যে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে ফায়ার সার্ভিস। তাতেও শিশুটির অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি। পরে আবারো শুরু হয়েছে গভীর নলকূপের গর্তের পাশের মাটি সরানোর কাজ। নানা কৌশলে চলছে উদ্ধার তৎপরতা।

উদ্ধারকারীরা বলছেন, নলকূপের গর্তের গভীরতা ১৫০ থেকে ৩০০ ফুট। এর ভেতরে যেকোনো জায়গায় শিশুটি আটকে থাকতে পারে।

উদ্ধার তৎপরতায় ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও মেডিকেল টিম ও স্থানীয় প্রশাসন উপস্থিত রয়েছেন।

জানা গেছে, গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপে শিশুটি পড়ে যায়। খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধারে নামেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। প্রথম অবস্থায় একটি স্কেভেটর দিয়ে মাটি খননের কাজ শুরু করা হয়। পরবর্তী সময় আরও দুটি স্কেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হয়। এমনভাবে রাতভর অভিযান পরিচালনা করে তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট।