ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের সুফল যেন প্রতিটি নাগরিক ভোগ করতে পারেন, সেজন্য সৃজনশীল বিষয়গুলোকে অর্থনীতির মূল ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরেন তিনি। অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় সব অর্থনৈতিক সূচকই নিম্নগামী ছিল, যা থেকে উত্তরণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার হওয়ায় দেশ সঠিকভাবে রেমিট্যান্স পায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাজেট ঘাটতি ও মেগা প্রকল্প নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় বাজেটে ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং এই বাজেটের মানও প্রশ্নবিদ্ধ। সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়াই মেগা প্রকল্পগুলোতে বড় অঙ্কের ব্যয় করা হয়েছে, যার প্রত্যাশিত সুফল জনগণ পায়নি। উল্টো লুটপাটের মাধ্যমে লাখো কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

মাথাপিছু আয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আমির খসরু আরও বলেন, মাথাপিছু আয় বাড়লেও এর সুফল কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে সীমাবদ্ধ ছিল। ব্যাপক দুর্নীতির কারণে দেশে অর্থনৈতিক বৈষম্য প্রকট হয়েছে এবং একটি অলিগার্কিক বা সুবিধাভোগী শ্রেণির উত্থান ঘটেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনের বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের সুফল যেন প্রতিটি নাগরিক ভোগ করতে পারেন, সেজন্য সৃজনশীল বিষয়গুলোকে অর্থনীতির মূল ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরেন তিনি। অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় সব অর্থনৈতিক সূচকই নিম্নগামী ছিল, যা থেকে উত্তরণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এছাড়া হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার হওয়ায় দেশ সঠিকভাবে রেমিট্যান্স পায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাজেট ঘাটতি ও মেগা প্রকল্প নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় বাজেটে ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং এই বাজেটের মানও প্রশ্নবিদ্ধ। সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়াই মেগা প্রকল্পগুলোতে বড় অঙ্কের ব্যয় করা হয়েছে, যার প্রত্যাশিত সুফল জনগণ পায়নি। উল্টো লুটপাটের মাধ্যমে লাখো কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

মাথাপিছু আয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আমির খসরু আরও বলেন, মাথাপিছু আয় বাড়লেও এর সুফল কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে সীমাবদ্ধ ছিল। ব্যাপক দুর্নীতির কারণে দেশে অর্থনৈতিক বৈষম্য প্রকট হয়েছে এবং একটি অলিগার্কিক বা সুবিধাভোগী শ্রেণির উত্থান ঘটেছে।