ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক সংসদ সদস্যদের আনা গাড়ি বিক্রি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫ ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা গাড়ি নিলামে তুলে আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় বিক্রি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এমনটিই জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আবদুর রহমান খান বলেন, ‘গাড়িগুলো আমরা নিলামে দিয়েছিলাম। তবে আশানুরূপ ফল পাইনি। এখন আমরা কিছু বিকল্প চিন্তা করছি। যেমন কোনো কোনো সরকারি সংস্থা প্রস্তাব দিয়েছে, তারা ৬০ শতাংশ দামে গাড়িগুলো নিতে চায়। আমরা জলের দরে বিক্রি করতে চাই না।

তিনি বলেন, একেকটি গাড়ির দাম ৮ থেকে ৯ কোটি টাকা। যদি উপযুক্ত দাম না পাই, তাহলে আরও ভালো ব্যবহার কীভাবে করা যায়, তা সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেব। এসব গাড়ি বছরের পর বছর ফেলে স্ক্র্যাপ করার পক্ষে নই। অচিরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর এই গাড়িগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করেছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্যরা। সরকারের পটপরিবর্তনের পর গত ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। শুল্কমুক্ত সুবিধাও বাতিল করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তাতে এই গাড়িগুলো ফেলে যান সাবেক সংসদ সদস্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক সংসদ সদস্যদের আনা গাড়ি বিক্রি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

সাবেক সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা গাড়ি নিলামে তুলে আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় বিক্রি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এমনটিই জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

আবদুর রহমান খান বলেন, ‘গাড়িগুলো আমরা নিলামে দিয়েছিলাম। তবে আশানুরূপ ফল পাইনি। এখন আমরা কিছু বিকল্প চিন্তা করছি। যেমন কোনো কোনো সরকারি সংস্থা প্রস্তাব দিয়েছে, তারা ৬০ শতাংশ দামে গাড়িগুলো নিতে চায়। আমরা জলের দরে বিক্রি করতে চাই না।

তিনি বলেন, একেকটি গাড়ির দাম ৮ থেকে ৯ কোটি টাকা। যদি উপযুক্ত দাম না পাই, তাহলে আরও ভালো ব্যবহার কীভাবে করা যায়, তা সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেব। এসব গাড়ি বছরের পর বছর ফেলে স্ক্র্যাপ করার পক্ষে নই। অচিরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর এই গাড়িগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করেছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্যরা। সরকারের পটপরিবর্তনের পর গত ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। শুল্কমুক্ত সুবিধাও বাতিল করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তাতে এই গাড়িগুলো ফেলে যান সাবেক সংসদ সদস্যরা।