ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬ ভাইয়ের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২ ১০২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পিকআপচাপায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬ ভাইয়ের পরিবারকে ৩৫ লাখ টাকা সহায়তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী এ ৩৫ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন বলে জানিয়েছেন চকরিয়ার ডুলাহাজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর। বুধবার চেক তৈরির সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন চেয়ারম্যান আদর।

চেয়ারম্যান আদর জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদান ঘোষণার পর চেক বুঝে নিতে তাকে ঢাকায় ডেকেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। মঙ্গলবার রাতেই রওনা হয়ে তিনি এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছেন। চেক তৈরির সকল ফরমালিটিজ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চেক হস্তান্তর করবেন বলে আলোচনা চলছে। তবে আমাদের চাওয়া প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তারা এসে প্রধানমন্ত্রীর হয়ে অনুদানের চেকগুলো হস্তান্তর করুক।

চেয়ারম্যান আরো জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে এক দুর্ঘটনায় ছয় ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা সারাদেশে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি করে। এতে পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেছে। নিহতদের সন্তান ও স্ত্রীদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর আমি আবেদন করেছিলাম। চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমের সুপারিশে আবেদনটি আমলে নিয়ে নিহত ছয় ভাইয়ের পরিবারের জন্য ৩৫ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে বাবা সুরেশ চন্দ্র শীলের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মালুমঘাট এলাকায় পিকআপ ভ্যানচাপায় অনুপম শীল (৪৬), নিরুপম শীল (৪০), দীপক শীল (৩৫), চম্পক শীল (৩০) ও স্মরণ সুশীল (২৯) নিহত হন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রক্তিম সুশীল মারা যান।

ঘটনার ১০ দিন আগে তাদের বাবা সুরেশের মৃত্যু হয়। বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দিতে তারা ৯ ভাইবোন বাড়িতে সমবেত হয়েছিলেন। সেখানকার একটি মন্দিরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে একসঙ্গে ৯ ভাইবোন (৭ ভাই ও ২ বোন) হেঁটে বাড়িতে আসার জন্য সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পিকআপের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই একসঙ্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরেক ভাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬ ভাইয়ের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পিকআপচাপায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬ ভাইয়ের পরিবারকে ৩৫ লাখ টাকা সহায়তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী এ ৩৫ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা করেছেন বলে জানিয়েছেন চকরিয়ার ডুলাহাজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর। বুধবার চেক তৈরির সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন চেয়ারম্যান আদর।

চেয়ারম্যান আদর জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদান ঘোষণার পর চেক বুঝে নিতে তাকে ঢাকায় ডেকেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। মঙ্গলবার রাতেই রওনা হয়ে তিনি এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছেন। চেক তৈরির সকল ফরমালিটিজ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চেক হস্তান্তর করবেন বলে আলোচনা চলছে। তবে আমাদের চাওয়া প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তারা এসে প্রধানমন্ত্রীর হয়ে অনুদানের চেকগুলো হস্তান্তর করুক।

চেয়ারম্যান আরো জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে এক দুর্ঘটনায় ছয় ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা সারাদেশে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি করে। এতে পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেছে। নিহতদের সন্তান ও স্ত্রীদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর আমি আবেদন করেছিলাম। চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমের সুপারিশে আবেদনটি আমলে নিয়ে নিহত ছয় ভাইয়ের পরিবারের জন্য ৩৫ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে বাবা সুরেশ চন্দ্র শীলের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার মালুমঘাট এলাকায় পিকআপ ভ্যানচাপায় অনুপম শীল (৪৬), নিরুপম শীল (৪০), দীপক শীল (৩৫), চম্পক শীল (৩০) ও স্মরণ সুশীল (২৯) নিহত হন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রক্তিম সুশীল মারা যান।

ঘটনার ১০ দিন আগে তাদের বাবা সুরেশের মৃত্যু হয়। বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দিতে তারা ৯ ভাইবোন বাড়িতে সমবেত হয়েছিলেন। সেখানকার একটি মন্দিরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে একসঙ্গে ৯ ভাইবোন (৭ ভাই ও ২ বোন) হেঁটে বাড়িতে আসার জন্য সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পিকআপের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই একসঙ্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরেক ভাই।