মির্জাপুরের ইউএসইও নজরুলের শাস্তি চেয়ে মাউশিতে অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১০:২৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫ ৮৪ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার নতুন কহেলা কলেজের পদত্যাগ করে অন্য কলেজে যোগদান এবং জালিয়াতি ও অনিয়মের মাধ্যমে পুনরায় যোগ দিতে চেষ্টাকারী অধ্যক্ষ ইমাম হোসেন মো: ফারুককে পুনরায় ওই কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিতে চাপ প্রয়োগ করায় মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা নাসির উদ্দিন বাবলু। গত ১২ মে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে জমা দেওয়া এক অভিযোগে এ দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ইমাম হোসেন ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত তার নিয়োগে জালিয়াতি প্রমান হওয়ায় ডিআইএ’র তদন্ত প্রতিবেদনে সরকারি তহবিল থেকে নেওয়া অর্থ ফিরিয়ে দিতে বলা হয়েছে।
অভিযোগে আরো বলা হয়, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে গত বছরের আগস্টে আবারো চাকরিচ্যুত ইমাম হোসেন ফারুককে আবারো চাকরিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ ও কলেজ তহবিল থেকে তাকে প্রতি মাসে ১৮,০০০ টাকা হিসাবে নয় মাসের বকেয়া পরিশোধ করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় ওই কর্মকর্তা কলেজটির কোন কাজে সহযোগিতা করবেন না বলেও সতর্ক করেছেন।
এতে ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা ও উপবৃত্তির কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে তিনি আশংকা প্রকাশ করেছেন। তাঁর এমন আচরণকে সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা পরিপন্থি বলেও দাবি করা হয়।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, পদত্যাগকারী অধ্যক্ষ ইমাম হোসেন মো: ফারুকের নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র জালিয়াতি করে অবৈধ এমপিওভুক্তিসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক মে ২০০৪ সাল থেকে মার্চ ২০১০ পর্যন্ত নেওয়া সমুদয় টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

























সারাদেশে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ১৪ জনের