ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিসের বিরুদ্ধে উমরাহ জালিয়াতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ হজ্বযাত্রী ও হাজী কল্যাণ পরিষদ অভিযোগ করেছে যে হাফেজ জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিসের মালিক দাবি করেন, বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও অনুমোদনহীন কার্যক্রমের মাধ্যমে উমরাহ যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন।

সংগঠনটির সভাপতি ডা. আবদুল্লাহ আল নাসের ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন যৌথ বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো উমরাহ যাত্রী প্রতারিত না হন।

বিবৃতিতে বলা হয়, লাইসেন্সপ্রাপ্ত হজ এজেন্সিগুলোর মোবাইল নম্বর হজ্ব এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সরকারি ডিরেক্টরি থেকে সংগ্রহ করে সেগুলো ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়। এসব গ্রুপের মাধ্যমে আকর্ষণীয় উমরাহ প্যাকেজের বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে সাধারণ যাত্রীদের প্রলুব্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনটি আরও দাবি করেছে যে বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিস বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে কোনো নিবন্ধিত হজ বা উমরাহ এজেন্সি নয়। পাশাপাশি সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের কাছেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো নিবন্ধনের তথ্য নেই বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে তাদের স্ত্রীদের জন্য উমরাহর নাম করে ৯০ দিনের ভিসা ব্যবস্থা করেছেন। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কার্যক্রম মানবপাচারের শামিল হতে পারে। তারা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

বাংলাদেশ হজ পিলগ্রিমস অ্যান্ড হাজী ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল সতর্ক করে বলেছে, অভিযোগকৃত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ না হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।

এ বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আয়েশা হক স্বীকার করেন যে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ বা সৌদি আরবে হজ বা উমরাহ পরিচালনার কোনো লাইসেন্স নেই। তবে তিনি প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের সরাসরি যাত্রীদের সঙ্গে কোনো লেনদেন নেই, তাই প্রতারণার সুযোগ নেই। আমরা শুধুমাত্র হজ ও উমরাহ এজেন্সিগুলোর সঙ্গে কাজ করি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিসের বিরুদ্ধে উমরাহ জালিয়াতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ হজ্বযাত্রী ও হাজী কল্যাণ পরিষদ অভিযোগ করেছে যে হাফেজ জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিসের মালিক দাবি করেন, বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও অনুমোদনহীন কার্যক্রমের মাধ্যমে উমরাহ যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন।

সংগঠনটির সভাপতি ডা. আবদুল্লাহ আল নাসের ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন যৌথ বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো উমরাহ যাত্রী প্রতারিত না হন।

বিবৃতিতে বলা হয়, লাইসেন্সপ্রাপ্ত হজ এজেন্সিগুলোর মোবাইল নম্বর হজ্ব এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সরকারি ডিরেক্টরি থেকে সংগ্রহ করে সেগুলো ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়। এসব গ্রুপের মাধ্যমে আকর্ষণীয় উমরাহ প্যাকেজের বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে সাধারণ যাত্রীদের প্রলুব্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনটি আরও দাবি করেছে যে বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিস বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে কোনো নিবন্ধিত হজ বা উমরাহ এজেন্সি নয়। পাশাপাশি সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের কাছেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো নিবন্ধনের তথ্য নেই বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে তাদের স্ত্রীদের জন্য উমরাহর নাম করে ৯০ দিনের ভিসা ব্যবস্থা করেছেন। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কার্যক্রম মানবপাচারের শামিল হতে পারে। তারা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

বাংলাদেশ হজ পিলগ্রিমস অ্যান্ড হাজী ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল সতর্ক করে বলেছে, অভিযোগকৃত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ না হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।

এ বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বীনা ইন্টারন্যাশনাল উমরাহ সার্ভিসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আয়েশা হক স্বীকার করেন যে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ বা সৌদি আরবে হজ বা উমরাহ পরিচালনার কোনো লাইসেন্স নেই। তবে তিনি প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের সরাসরি যাত্রীদের সঙ্গে কোনো লেনদেন নেই, তাই প্রতারণার সুযোগ নেই। আমরা শুধুমাত্র হজ ও উমরাহ এজেন্সিগুলোর সঙ্গে কাজ করি।”