ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটন ডিসির মার্কিন জ্বালানি দপ্তরে (ডিওই) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট নিজ নিজ দেশের হয়ে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা যখন চ্যালেঞ্জের মুখে, ঠিক তখন এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো: জ্বালানির একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎসের সন্ধান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ, তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি খাতে কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং জ্বালানি খাতের আধুনিকায়নে দুই দেশের যৌথ গবেষণা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই পদক্ষেপকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্বের এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি এই দূরদর্শী উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই চুক্তি কেবল জ্বালানি আমদানির বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলকে দীর্ঘ মেয়াদে সুরক্ষিত করবে।

অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই সমঝোতাকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি নিরাপত্তার একটি শক্তিশালী মডেল তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের শিল্প খাত ও সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানির সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেট সময় : ০১:০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটন ডিসির মার্কিন জ্বালানি দপ্তরে (ডিওই) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট নিজ নিজ দেশের হয়ে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা যখন চ্যালেঞ্জের মুখে, ঠিক তখন এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো: জ্বালানির একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎসের সন্ধান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ, তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি খাতে কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং জ্বালানি খাতের আধুনিকায়নে দুই দেশের যৌথ গবেষণা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই পদক্ষেপকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্বের এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি এই দূরদর্শী উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই চুক্তি কেবল জ্বালানি আমদানির বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলকে দীর্ঘ মেয়াদে সুরক্ষিত করবে।

অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই সমঝোতাকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি নিরাপত্তার একটি শক্তিশালী মডেল তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের শিল্প খাত ও সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানির সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।