আফগানিস্তান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আঙুল তুললেন পুতিন
- আপডেট সময় : ১২:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
বছরের পর বছর যুক্তরাষ্ট্রের দখলে থাকা অবস্থায় আফগানিস্তানের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে এবং এ জন্য আফগানিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তিনি আরও বলেছেন, আফগানিস্তানের যে তহবিল যুক্তরাষ্ট্র আটকে রেখেছে, তাও ছেড়ে দেয়া উচিত। আমরা দখলদারিত্বের সময়ের ক্ষতির জন্য আফগানিস্তানকে ক্ষতিপূরণ দিতে এবং দেশটির তহবিল ছাড় করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সনিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুরে কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়ার (সিআইসিএ) ষষ্ঠ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন পুতিন।
এশিয়ার ২৭টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। রুশ প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যে এশিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ইস্যু, জ্বালানি ও খাদ্য সংকট, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর গুরুত্ব ও অন্যান্য বিষয়ে আলোকপাত করেন।
পুতিন বলেন, আফগানিস্তান এখনও পর্যন্ত এ অঞ্চলের অন্যতম নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সামরিক উপস্থিতি ও তাদের গৃহীত নীতির ব্যর্থতার কারণে আফগানিস্তান এখন একা সন্ত্রাস মোকাবিলার সক্ষমতা হারিয়েছে।
৫ সেপ্টেম্বর কাবুলে রুশ দূতাবাসে বোমা হামলা এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি সন্ত্রাসী ঘটনায় এর প্রমাণ মিলেছে বলে উল্লেখ করে পুতিন আরও বলেন, আফগানিস্তানের ভেতরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হলে সবাই মিলে দেশটির অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। তবে সবার আগে আমরা মার্কিন দখলদারিত্বের সময় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আফগানিস্তানকে ক্ষতিপূরণ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) আঞ্চলিক সন্ত্রাসবিরোধী যে কাঠামো গড়ে তুলেছে, আফগানিস্তানে তা কার্যকর হতে পারে। সন্ত্রাস মোকাবিলায় আমরা যে আন্তর্জাতিক ডেটা ব্যাংক গড়ে তুলেছি, তাতে সহযোগিতা করতে আমরা এশিয়ার সব দেশকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমরা চাই সবার সমান ও অভিন্ন নিরাপত্তার একটা ব্যবস্থা গড়ে উঠুক।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়া চায় এশিয়ার সব দেশ উন্নতি ও সমৃদ্ধি অর্জন করুক। এজন্য আমরা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক বন্ধন জোরালো করার পক্ষপাতী। আমরা পণ্য সরবরাহ চেইনে সব ধরনের কৃত্রিম বাধা অপসারণের পক্ষে।
























