ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমেছে সবজি ও মুরগির দাম, বেড়েছে মাছের দাম

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র মাহে রমজানের নবম দিন রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে বেগুন, শসা, লেবু ও কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে সব ধরনের মুরগির দাম । তবে বাজারে দুই শত টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। এখন গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে। ব্রয়লার মুরগী ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা দরে; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩০০ টাকা; যা সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায় , এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২৫০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া জানান, এক কেজি পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়। আগে এই দুইটি মাছের দাম অন্যান্য মাছের তুলনায় কম ছিল। এখন সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। রুই, কাতলা কিংবা টেংরার দিকে তাকানো যাবে না। সেগুলো নিলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগবে। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষের এত টাকা দিয়ে মাছ কিনে খেতে পারবো না।

এসব বাজারে শীতকালীন সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা ২০ টাকা কমেছে। বাজারে সিম কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, সালগম ৬০ টাকা, ফুল কপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায় গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স কেজিতে ২০ টাকা কমে ১২০ টাকা, কচুরমুখীর ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা, হাইব্রিড ১০০ এবং খিড়াই ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এছাড়া লেবুর দামও কমতে শুরু করেছে। এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেশি ধনে পাতা ১৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ১০০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস। তবে কেপসিক্যামের দাম কমে ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শাকের বাজারে দেখা যায়. লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কমেছে সবজি ও মুরগির দাম, বেড়েছে মাছের দাম

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজানের নবম দিন রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে বেগুন, শসা, লেবু ও কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে সব ধরনের মুরগির দাম । তবে বাজারে দুই শত টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। এখন গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে। ব্রয়লার মুরগী ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা দরে; যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে দর কমেছে সোনালি জাতের মুরগির। এ জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে গুনতে হবে ৩০০ টাকা; যা সপ্তাহ আগে ছিল ৩২০ টাকা। এ ছাড়া গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায় , এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২৫০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া জানান, এক কেজি পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়। আগে এই দুইটি মাছের দাম অন্যান্য মাছের তুলনায় কম ছিল। এখন সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। রুই, কাতলা কিংবা টেংরার দিকে তাকানো যাবে না। সেগুলো নিলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগবে। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষের এত টাকা দিয়ে মাছ কিনে খেতে পারবো না।

এসব বাজারে শীতকালীন সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা ২০ টাকা কমেছে। বাজারে সিম কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, সালগম ৬০ টাকা, ফুল কপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায় গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স কেজিতে ২০ টাকা কমে ১২০ টাকা, কচুরমুখীর ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা, হাইব্রিড ১০০ এবং খিড়াই ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এছাড়া লেবুর দামও কমতে শুরু করেছে। এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেশি ধনে পাতা ১৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ১০০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস। তবে কেপসিক্যামের দাম কমে ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শাকের বাজারে দেখা যায়. লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।