ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনা ও বাগেরহাটে ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে ফসল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং সংরক্ষণের সুবিধা না থাকায় বিপাকে পড়েছে বাগেরহাট এবং খুলনার সবজি চাষীরা। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম, শ্রমিকের বাড়তি খরচ ও অতিরিক্ত খাজনা আদায়সহ নানা কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম না মেলায় ফসল বিক্রি করতে পারছেন না তারা। ফলে ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে অনেক সবজি। পরিস্থিতি থেকে উত্তরোণে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন চাষীরা।

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের সদর, কচুয়া ও চিতলমারীসহ ৪টি উপজেলায় বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি ৮ হাজার হেক্টর জমিতে এ বছর টমেটোর আবাদ হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় ভোগান্তিতে আছে চাষীরা। সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত খাজনা আদায়সহ নানা কারণে ভরা মৌসুমে ২ থেকে ৩ টাকা কেজিতে টমেটো বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে শ্রমিকের খরচও উঠছে না। তাই অনেক চাষী বিক্রি বন্ধ করে দেয়ায় ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে টমেটো।

ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় লোকসানে পড়েছেন চাষীরা। ছেলে মেয়ের লেখাপড়াসহ সংসার খরচ মেটাতে না পেরে অনেকে এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চাষীদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে আলুুর মতো টমেটো সংরক্ষণে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

এদিকে, খুলনা জেলার নয় উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে এবার সবজির উৎপাদন হয়েছে। তবে ফলন ভালো হলেও সবজি সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি জেলায়। ফলে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে চাষীদের।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকতারা জানালেন, উৎপাদিত সবজির জন্য সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ করছে তারা। সবজি সংরক্ষণের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেয়া গেলে চাষীরা লাভের মুখ দেখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

খুলনা ও বাগেরহাটে ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে ফসল

আপডেট সময় : ০৩:১৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং সংরক্ষণের সুবিধা না থাকায় বিপাকে পড়েছে বাগেরহাট এবং খুলনার সবজি চাষীরা। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম, শ্রমিকের বাড়তি খরচ ও অতিরিক্ত খাজনা আদায়সহ নানা কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম না মেলায় ফসল বিক্রি করতে পারছেন না তারা। ফলে ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে অনেক সবজি। পরিস্থিতি থেকে উত্তরোণে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন চাষীরা।

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের সদর, কচুয়া ও চিতলমারীসহ ৪টি উপজেলায় বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি ৮ হাজার হেক্টর জমিতে এ বছর টমেটোর আবাদ হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় ভোগান্তিতে আছে চাষীরা। সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত খাজনা আদায়সহ নানা কারণে ভরা মৌসুমে ২ থেকে ৩ টাকা কেজিতে টমেটো বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে শ্রমিকের খরচও উঠছে না। তাই অনেক চাষী বিক্রি বন্ধ করে দেয়ায় ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে টমেটো।

ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় লোকসানে পড়েছেন চাষীরা। ছেলে মেয়ের লেখাপড়াসহ সংসার খরচ মেটাতে না পেরে অনেকে এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চাষীদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে আলুুর মতো টমেটো সংরক্ষণে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

এদিকে, খুলনা জেলার নয় উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে এবার সবজির উৎপাদন হয়েছে। তবে ফলন ভালো হলেও সবজি সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি জেলায়। ফলে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে চাষীদের।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকতারা জানালেন, উৎপাদিত সবজির জন্য সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ করছে তারা। সবজি সংরক্ষণের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেয়া গেলে চাষীরা লাভের মুখ দেখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।