ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের ৬ জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ১২ জনের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতে একদিনে ১২ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২ জন। এর মধ্যে সুনমাগঞ্জে সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে। সেখানে চার উপজেলায় পাঁচজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই শনিবার দুপুরে হাওরে ধান কাটার সময় প্রাণ হারিয়েছেন।

এ ছাড়া ময়মনসিংহ ও রংপুরে দুজন করে এবং নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে একজন করে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ : শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় জামালগঞ্জের পাগনার হাওর, ধর্মপাশার টগার হাওর, দিরাইয়ের কালিয়াগোটা হাওর এবং তাহিরপুর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান।

নিহতরা হলেন- জামালগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের নুরুজ্জামান, ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরহাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের হাবিবুর রহমান, একই উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে রহমত উল্লাহ (২৩), দিরাই উপজেলার কৃষক লিটন মিয়া এবং তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮)।

রংপুর : রংপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। শনিবার সকালে মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সখিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ওই এলাকার মৎসজীবী মিলন মিয়া (৩৫) ও কৃষক তালেব উদ্দিন (৪৫)।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, সকালে ওই এলাকায় বৃষ্টি হয়। এ সময় ওই এলাকার ছোট শালমারা বিলে মাছ ধরছিলেন মৎসজীবীরা। তা দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় শিশুসহ ১৫-২০ জন। একজন আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন। এর মধ্যে বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। তাদেরকে মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মৎসজীবী মিলন মিয়া ও কৃষক তালেব উদ্দিন। কৃষক তালেব ঘটনার সময় আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন।

মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে যখন আনা হয় তখনই আমরা দুইজনকে মৃত অবস্থায় পাই।

ময়মনসিংহ : শনিবার দুপুর ২টার দিকে গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিহতরা হলেন- গৌরীপুর উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামর ওলি মিয়ার ছেলে রহমত আলী উজ্জ্বল (৩০) এবং গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের ধাইরগাঁও গ্রামের প্রয়াত সেকান্দর আলী খান মমতাজ আলী খান (৫৮)।

গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী বলেন, রহমত আলী মুদি দোকানি। দুপুরে বোন জামাইয়ের ধান ক্ষেত দেখতে পূর্বাোনাপাড়া গ্রামে যান তিনি। সেখানে হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় উজ্জ্বল।

গফরগাঁও থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, মমতাজ আলী খান জোহরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোণা : আটপাড়া উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের সামনের মেষির হাওড়ে বজ্রপাতে এক কৃষক মারা গেছেন। নিহত আলতু মিয়া (৬৫) একই গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।

আটপাড়া থানার ওসি মো. জুবায়দুল আলম বলেন, দুপুর ১টার দিকে মেষি হাওড়ে গরুর জন্য ঘাস কাটছিলেন আলতু মিয়া। এ সময় আকাশ অন্ধকার করে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত হয়। বজ্রপাতের পর স্থানীয়রা হাওড়ে গিয়ে আলতু মিয়ার মরদেহ পরে থাকতে দেখেন।

আটপাড়ার ইউএনও মো. শাহানুর রহমান বলেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নের মমিনা হাওরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুনাম উদ্দিন একই ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্গা নেওয়া বোরো জমিতে ছেলে নুরুজ্জামান মিয়াকে (২৫) নিয়ে ধান কাটছিলেন সুনাম উদ্দিন। কাটা ধান ছেলেকে দিয়ে বাড়ি পাঠাচ্ছিলেন। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে আশপাশের শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে খবর দেন।

ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. জুয়েল মিয়া বলেন, সুনাম উদ্দিন চার ছেলেকে নিয়ে বর্গা জমিতে চাষ করতেন। সারা বছরের পরিশ্রমের ফসল ঘরে তোলার সময় তার মৃত্যুতে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে হলুদ মিয়া (৩৭) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হলুদ মিয়া উপজেলার ৯ নম্বর জয়কা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কলাবাগ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বড় হাওরে ধান কাটার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন হলুদ মিয়া। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল কবির বলেন, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের ৬ জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ১২ জনের

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতে একদিনে ১২ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২ জন। এর মধ্যে সুনমাগঞ্জে সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে। সেখানে চার উপজেলায় পাঁচজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই শনিবার দুপুরে হাওরে ধান কাটার সময় প্রাণ হারিয়েছেন।

এ ছাড়া ময়মনসিংহ ও রংপুরে দুজন করে এবং নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে একজন করে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ : শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় জামালগঞ্জের পাগনার হাওর, ধর্মপাশার টগার হাওর, দিরাইয়ের কালিয়াগোটা হাওর এবং তাহিরপুর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান।

নিহতরা হলেন- জামালগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের নুরুজ্জামান, ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরহাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের হাবিবুর রহমান, একই উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে রহমত উল্লাহ (২৩), দিরাই উপজেলার কৃষক লিটন মিয়া এবং তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮)।

রংপুর : রংপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। শনিবার সকালে মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সখিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ওই এলাকার মৎসজীবী মিলন মিয়া (৩৫) ও কৃষক তালেব উদ্দিন (৪৫)।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, সকালে ওই এলাকায় বৃষ্টি হয়। এ সময় ওই এলাকার ছোট শালমারা বিলে মাছ ধরছিলেন মৎসজীবীরা। তা দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় শিশুসহ ১৫-২০ জন। একজন আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন। এর মধ্যে বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। তাদেরকে মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মৎসজীবী মিলন মিয়া ও কৃষক তালেব উদ্দিন। কৃষক তালেব ঘটনার সময় আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন।

মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে যখন আনা হয় তখনই আমরা দুইজনকে মৃত অবস্থায় পাই।

ময়মনসিংহ : শনিবার দুপুর ২টার দিকে গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিহতরা হলেন- গৌরীপুর উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামর ওলি মিয়ার ছেলে রহমত আলী উজ্জ্বল (৩০) এবং গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের ধাইরগাঁও গ্রামের প্রয়াত সেকান্দর আলী খান মমতাজ আলী খান (৫৮)।

গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী বলেন, রহমত আলী মুদি দোকানি। দুপুরে বোন জামাইয়ের ধান ক্ষেত দেখতে পূর্বাোনাপাড়া গ্রামে যান তিনি। সেখানে হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় উজ্জ্বল।

গফরগাঁও থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, মমতাজ আলী খান জোহরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোণা : আটপাড়া উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের সামনের মেষির হাওড়ে বজ্রপাতে এক কৃষক মারা গেছেন। নিহত আলতু মিয়া (৬৫) একই গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।

আটপাড়া থানার ওসি মো. জুবায়দুল আলম বলেন, দুপুর ১টার দিকে মেষি হাওড়ে গরুর জন্য ঘাস কাটছিলেন আলতু মিয়া। এ সময় আকাশ অন্ধকার করে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত হয়। বজ্রপাতের পর স্থানীয়রা হাওড়ে গিয়ে আলতু মিয়ার মরদেহ পরে থাকতে দেখেন।

আটপাড়ার ইউএনও মো. শাহানুর রহমান বলেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নের মমিনা হাওরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুনাম উদ্দিন একই ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্গা নেওয়া বোরো জমিতে ছেলে নুরুজ্জামান মিয়াকে (২৫) নিয়ে ধান কাটছিলেন সুনাম উদ্দিন। কাটা ধান ছেলেকে দিয়ে বাড়ি পাঠাচ্ছিলেন। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে আশপাশের শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে খবর দেন।

ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. জুয়েল মিয়া বলেন, সুনাম উদ্দিন চার ছেলেকে নিয়ে বর্গা জমিতে চাষ করতেন। সারা বছরের পরিশ্রমের ফসল ঘরে তোলার সময় তার মৃত্যুতে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে হলুদ মিয়া (৩৭) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হলুদ মিয়া উপজেলার ৯ নম্বর জয়কা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কলাবাগ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বড় হাওরে ধান কাটার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন হলুদ মিয়া। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল কবির বলেন, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।