ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফের পুরোদমে ড্রোন উৎপাদনে নেমেছে ইরান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইরান নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনে জোরেশোরে কাজ করছে এবং ইতিমধ্যে ড্রোন উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যে গতিতে এবং যত ব্যাপক পরিসরে তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে, তা মার্কিন গোয়েন্দা সম্প্রদায়কে রীতিমতো অবাক করেছে। কারণ, তাদের প্রাথমিক ধারণায় এই প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সময় লাগার কথা ছিল। সিএনএন-কে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সামরিক পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন গোয়েন্দারা যে সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল, তেহরান তা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে ইরান হয়তো মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই তাদের যুদ্ধপূর্ব সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পাবে।

সূত্রগুলো সিএনএন-কে জানিয়েছে, রাশিয়া ও চীনের সহায়তার কারণেই ইরান এত দ্রুত এই পুনর্গঠন করতে পারছে। তাদের অভিযোগ, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেইজিং দেশটিকে ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে আসছে। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, সিএনএন-এর এই প্রতিবেদনের বাস্তবে কোনো ভিত্তি নেই।

সূত্রগুলোর মতে, ইরান যেভাবে দ্রুতগতিতে তাদের অস্ত্রভাণ্ডার ও সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে, তাতে তারা এখনো একটি শক্তিশালী ও দুর্ধর্ষ প্রতিপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের বারবার দেওয়া হুমকি অনুযায়ী নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে, তবে ইরান পুরো অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

নিউজটি শেয়ার করুন

ফের পুরোদমে ড্রোন উৎপাদনে নেমেছে ইরান!

আপডেট সময় : ০৩:১৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইরান নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনে জোরেশোরে কাজ করছে এবং ইতিমধ্যে ড্রোন উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যে গতিতে এবং যত ব্যাপক পরিসরে তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে, তা মার্কিন গোয়েন্দা সম্প্রদায়কে রীতিমতো অবাক করেছে। কারণ, তাদের প্রাথমিক ধারণায় এই প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সময় লাগার কথা ছিল। সিএনএন-কে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সামরিক পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন গোয়েন্দারা যে সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল, তেহরান তা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে ইরান হয়তো মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই তাদের যুদ্ধপূর্ব সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পাবে।

সূত্রগুলো সিএনএন-কে জানিয়েছে, রাশিয়া ও চীনের সহায়তার কারণেই ইরান এত দ্রুত এই পুনর্গঠন করতে পারছে। তাদের অভিযোগ, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেইজিং দেশটিকে ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে আসছে। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, সিএনএন-এর এই প্রতিবেদনের বাস্তবে কোনো ভিত্তি নেই।

সূত্রগুলোর মতে, ইরান যেভাবে দ্রুতগতিতে তাদের অস্ত্রভাণ্ডার ও সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে, তাতে তারা এখনো একটি শক্তিশালী ও দুর্ধর্ষ প্রতিপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের বারবার দেওয়া হুমকি অনুযায়ী নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে, তবে ইরান পুরো অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল