ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদারীপুরে বেড়েছে পাটের উৎপাদন খরচ

মাদারীপুর সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২ ৯০ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি বছর মাদারীপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমানে মাঠজুড়ে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। তবে, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে চিন্তায় কৃষক। যদিও কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, ভালো আঁশ উৎপাদন করলে ভালো মূল্য পাওয়া যাবে।

মাদারীপুর জেলার ৫টি উপজেলায় চলতি বছর ৩৭ হাজার ৮৯৮ হেক্টর জমিতে দেশী, তোষা ও মেস্তা জাতের পাট আবাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হাজার ১৭৯ হেক্টর কম জমিতে আবাদ হয়েছে। তবে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা পাট কাটা, পানিতে জাগ দেওয়া ও আঁশ ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তবে, পাটের উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে সংশয়ে কৃষক। তারা বলছে, স্থানীয় পর্যায়ে যে বাজারদর, তাতে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কম।

কৃষি বিভাগ বলছে, স্বচ্ছ পানিতে যতেœর সাথে পাট জাগ দিয়ে ভালো মানের আঁশ উৎপাদন করতে পারলে বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে। সেজন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরে এবার ৩৫ হাজার ৭১৯ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। যা থেকে ৭৮ হাজার ৫৬৪ মেট্রিক টন পাট উৎপাদন হবে বলে আশা প্রকাশ করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদারীপুরে বেড়েছে পাটের উৎপাদন খরচ

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২

চলতি বছর মাদারীপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমানে মাঠজুড়ে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। তবে, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে চিন্তায় কৃষক। যদিও কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, ভালো আঁশ উৎপাদন করলে ভালো মূল্য পাওয়া যাবে।

মাদারীপুর জেলার ৫টি উপজেলায় চলতি বছর ৩৭ হাজার ৮৯৮ হেক্টর জমিতে দেশী, তোষা ও মেস্তা জাতের পাট আবাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হাজার ১৭৯ হেক্টর কম জমিতে আবাদ হয়েছে। তবে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা পাট কাটা, পানিতে জাগ দেওয়া ও আঁশ ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তবে, পাটের উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে সংশয়ে কৃষক। তারা বলছে, স্থানীয় পর্যায়ে যে বাজারদর, তাতে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কম।

কৃষি বিভাগ বলছে, স্বচ্ছ পানিতে যতেœর সাথে পাট জাগ দিয়ে ভালো মানের আঁশ উৎপাদন করতে পারলে বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে। সেজন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেয়া হচ্ছে।

মাদারীপুরে এবার ৩৫ হাজার ৭১৯ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। যা থেকে ৭৮ হাজার ৫৬৪ মেট্রিক টন পাট উৎপাদন হবে বলে আশা প্রকাশ করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।