ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ হলো ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেষ হয়েছে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। আর এই শেষ দিনে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিত্বদের সংবর্ধনা দিয়েছে চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ। পুরষ্কৃত হন অভিনেতা মনোজ মিত্র, বরুণ চন্দ, রঞ্জিত মল্লিক, মমতা শঙ্কর, কুশল চক্রবর্তী, সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, চন্দনা বন্দ্যোপাধ্যায়, অনিল ঘোষ (সহ-ক্যামেরাম্যান), তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (ফটোগ্রাফার) ও হীরক সেন (ফটোগ্রাফার)।

যদিও এদিন পুরস্কার নিতে উপস্থিত হতে পারেননি প্রদীপ মুখোপাধ্যায় এবং মাধবী মুখোপাধ্যায়।

মনোজ মিত্রের কথায়, সত্যজিৎ রায়ের দূরদর্শিতা, পারদর্শিতা অন্য স্তরে পৌঁছে গিয়েছিল। তাকে পরিচালনার মাপকাঠিতে মাপলে হয় না৷ তিনি দার্শনিক। ওরকম চিন্তাভাবনা আর কেউ করতে পারবে বলে আমার জানা নেই। রঞ্জিত মল্লিক বলেন, আজ থেকে আগামী ১০০ বছর পরেও সত্যজিৎ রায়ের ছবি নিয়ে লোকে কথা বলবে। এদিনের অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন সবাই ।

সোনার কেল্লা’র মুকুল অর্থাৎ কুশল চক্রবর্তী বলেন, জয়সলমীরে একবার সন্দীপ দা’র সঙ্গে একটা কাজ করতে গিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছনোর পর আমাকে অনেকে ফুল দিতে ছুটে এসেছিল। আমি বলেছিলাম কেন? তখন তারা বলেছিল, এই ৪৫ বছর ধরে তো শুধু আপনাকেই চিনি। আর সত্যজিৎ রায়কে চিনি। তিনিই আমাদের বেঁচে থাকার রসদ। তাদের কথায়, সত্যজিৎ রায় হলেন আমাদের ভাস্কো-দা-গামা। আমাদের আবিষ্কার করে বাঁচিয়ে রেখেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেষ হলো ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

আপডেট সময় : ১২:২০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২

শেষ হয়েছে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। আর এই শেষ দিনে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিত্বদের সংবর্ধনা দিয়েছে চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ। পুরষ্কৃত হন অভিনেতা মনোজ মিত্র, বরুণ চন্দ, রঞ্জিত মল্লিক, মমতা শঙ্কর, কুশল চক্রবর্তী, সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, চন্দনা বন্দ্যোপাধ্যায়, অনিল ঘোষ (সহ-ক্যামেরাম্যান), তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় (ফটোগ্রাফার) ও হীরক সেন (ফটোগ্রাফার)।

যদিও এদিন পুরস্কার নিতে উপস্থিত হতে পারেননি প্রদীপ মুখোপাধ্যায় এবং মাধবী মুখোপাধ্যায়।

মনোজ মিত্রের কথায়, সত্যজিৎ রায়ের দূরদর্শিতা, পারদর্শিতা অন্য স্তরে পৌঁছে গিয়েছিল। তাকে পরিচালনার মাপকাঠিতে মাপলে হয় না৷ তিনি দার্শনিক। ওরকম চিন্তাভাবনা আর কেউ করতে পারবে বলে আমার জানা নেই। রঞ্জিত মল্লিক বলেন, আজ থেকে আগামী ১০০ বছর পরেও সত্যজিৎ রায়ের ছবি নিয়ে লোকে কথা বলবে। এদিনের অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন সবাই ।

সোনার কেল্লা’র মুকুল অর্থাৎ কুশল চক্রবর্তী বলেন, জয়সলমীরে একবার সন্দীপ দা’র সঙ্গে একটা কাজ করতে গিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছনোর পর আমাকে অনেকে ফুল দিতে ছুটে এসেছিল। আমি বলেছিলাম কেন? তখন তারা বলেছিল, এই ৪৫ বছর ধরে তো শুধু আপনাকেই চিনি। আর সত্যজিৎ রায়কে চিনি। তিনিই আমাদের বেঁচে থাকার রসদ। তাদের কথায়, সত্যজিৎ রায় হলেন আমাদের ভাস্কো-দা-গামা। আমাদের আবিষ্কার করে বাঁচিয়ে রেখেছেন তিনি।