ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৪ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন হরমুজে বিধ্বস্ত!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পারস্য উপসাগরে নজরদারি চালানোর সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল ঘটা এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন নাভাল সেফটি কমান্ড। অত্যাধুনিক এই ড্রোনটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম দামি ও গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি সরঞ্জাম হিসেবে পরিচিত।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের কাছে ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ হিসেবে খ্যাত এই ড্রোনটি দিন-রাত টানা ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ চালাতে সক্ষম। নর্থরোপ গ্রুম্যানের তৈরি প্রতিটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ২৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার।

নাভাল সেফটি কমান্ড এই দুর্ঘটনাকে ‘ক্লাস এ মিসহ্যাপ’ বা গুরুতর দুর্ঘটনা হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে। জানা গেছে, বিধ্বস্ত ড্রোনটি ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত সিগোনেল্লা নাভাল এয়ার স্টেশনের আওতাধীন ছিল। গত ৯ এপ্রিল হরমুজ প্রণালিতে তিন ঘণ্টার রুটিন মিশনে থাকা অবস্থায় এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেষণ করে প্রতিরক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘দ্য ওয়ার জোন’ জানিয়েছে, ড্রোনটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় হঠাৎ জরুরি সংকেত পাঠাতে শুরু করে। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি প্রায় ১০ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে এবং একপর্যায়ে সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

যদিও মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে এই ঘটনায় শত্রুপক্ষের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি; তবে ঘটনার সময়কাল নিয়ে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে এই ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি সামরিক বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলছে। সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

২৪ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন হরমুজে বিধ্বস্ত!

আপডেট সময় : ০২:১২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পারস্য উপসাগরে নজরদারি চালানোর সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল ঘটা এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন নাভাল সেফটি কমান্ড। অত্যাধুনিক এই ড্রোনটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম দামি ও গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি সরঞ্জাম হিসেবে পরিচিত।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের কাছে ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ হিসেবে খ্যাত এই ড্রোনটি দিন-রাত টানা ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ চালাতে সক্ষম। নর্থরোপ গ্রুম্যানের তৈরি প্রতিটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ২৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার।

নাভাল সেফটি কমান্ড এই দুর্ঘটনাকে ‘ক্লাস এ মিসহ্যাপ’ বা গুরুতর দুর্ঘটনা হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে। জানা গেছে, বিধ্বস্ত ড্রোনটি ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত সিগোনেল্লা নাভাল এয়ার স্টেশনের আওতাধীন ছিল। গত ৯ এপ্রিল হরমুজ প্রণালিতে তিন ঘণ্টার রুটিন মিশনে থাকা অবস্থায় এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেষণ করে প্রতিরক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘দ্য ওয়ার জোন’ জানিয়েছে, ড্রোনটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় হঠাৎ জরুরি সংকেত পাঠাতে শুরু করে। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি প্রায় ১০ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে এবং একপর্যায়ে সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

যদিও মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে এই ঘটনায় শত্রুপক্ষের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি; তবে ঘটনার সময়কাল নিয়ে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র দুই দিনের মাথায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে এই ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি সামরিক বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলছে। সূত্র: ফার্স্টপোস্ট