ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজার সিন্ডিকেট চিরতরে দূর হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সিন্ডিকেটের সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করতে পুরো সাপ্লাই চেইনকে এআই মডেলে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে সিলেট নগরীর টিলাগড় পয়েন্টে ‘কৃষকের হাট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এতে আমদানিকারক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা বাজার মনিটরিং সহজ করবে।

তিনি আরও বলেন, টিসিবির কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সরকার প্রতিবছর টিসিবিতে ৩২০০ থেকে ৩৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়, যা ধীরে ধীরে কমানো হবে। বর্তমানে টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে কম দামে খাদ্যপণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে টিসিবির মার্কেট ইন্টারভেনশন বাড়িয়ে বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতি বাংলাদেশ থেকে চিরতরে দূর করা হবে।

এদিকে সরকারি এই ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট কৃষকেরা। তাদের মতে, প্রান্তিক কৃষকরা কোনও মধ্য-স্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বাজারের মূল লক্ষ্য হলো মাঠপর্যায়ের কৃষক ও শহরের সাধারণ ভোক্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি করা। প্রতিদিন সকালে টিলাগড় পয়েন্টের নির্ধারিত স্থানে এই বাজারের কার্যক্রম চলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজার সিন্ডিকেট চিরতরে দূর হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সিন্ডিকেটের সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করতে পুরো সাপ্লাই চেইনকে এআই মডেলে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে সিলেট নগরীর টিলাগড় পয়েন্টে ‘কৃষকের হাট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এতে আমদানিকারক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা বাজার মনিটরিং সহজ করবে।

তিনি আরও বলেন, টিসিবির কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সরকার প্রতিবছর টিসিবিতে ৩২০০ থেকে ৩৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়, যা ধীরে ধীরে কমানো হবে। বর্তমানে টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে কম দামে খাদ্যপণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে টিসিবির মার্কেট ইন্টারভেনশন বাড়িয়ে বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতি বাংলাদেশ থেকে চিরতরে দূর করা হবে।

এদিকে সরকারি এই ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট কৃষকেরা। তাদের মতে, প্রান্তিক কৃষকরা কোনও মধ্য-স্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বাজারের মূল লক্ষ্য হলো মাঠপর্যায়ের কৃষক ও শহরের সাধারণ ভোক্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি করা। প্রতিদিন সকালে টিলাগড় পয়েন্টের নির্ধারিত স্থানে এই বাজারের কার্যক্রম চলবে।