ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ে করতে গিয়ে তরুণী আটক! টার্গেট ‘সম্পদ লুট’!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। ‘ডাকাত বধূ’ নামে পরিচিত এক নারী একে একে আটটি বিয়ে করে স্বামীদের অর্থ-সম্পদ আত্মসাৎ করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বীড জেলার উমাপুর গ্রামের এক ব্যক্তিকে নবম শিকার বানানোর পরই প্রকাশ্যে আসে তাঁর সব কীর্তিকলাপ।

বুধবার (৬ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই চক্রের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে নবম ব্যক্তিকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের নাম করে তাঁর কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। তবে বিয়ের কিছুদিন পরই কনের আচরণ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, এর আগেও ওই নারী একই কৌশলে আটজন ভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে করে তাঁদের অর্থ ও সম্পদ লুটে নিয়েছেন।

জানা গেছে, এই চক্রের সদস্যরা মূলত ঘটকের মাধ্যমে বিত্তবান পুরুষদের খুঁজে বের করত। বিয়ের অনুষ্ঠানের পরপরই কনে নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে সহযোগীদের সহায়তায় উধাও হয়ে যেত। প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগী ব্যক্তি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানান। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বর্তমানে অভিযুক্ত নারী ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিয়ে করতে গিয়ে তরুণী আটক! টার্গেট ‘সম্পদ লুট’!

আপডেট সময় : ০২:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। ‘ডাকাত বধূ’ নামে পরিচিত এক নারী একে একে আটটি বিয়ে করে স্বামীদের অর্থ-সম্পদ আত্মসাৎ করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বীড জেলার উমাপুর গ্রামের এক ব্যক্তিকে নবম শিকার বানানোর পরই প্রকাশ্যে আসে তাঁর সব কীর্তিকলাপ।

বুধবার (৬ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই চক্রের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে নবম ব্যক্তিকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের নাম করে তাঁর কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। তবে বিয়ের কিছুদিন পরই কনের আচরণ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, এর আগেও ওই নারী একই কৌশলে আটজন ভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে করে তাঁদের অর্থ ও সম্পদ লুটে নিয়েছেন।

জানা গেছে, এই চক্রের সদস্যরা মূলত ঘটকের মাধ্যমে বিত্তবান পুরুষদের খুঁজে বের করত। বিয়ের অনুষ্ঠানের পরপরই কনে নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে সহযোগীদের সহায়তায় উধাও হয়ে যেত। প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগী ব্যক্তি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানান। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বর্তমানে অভিযুক্ত নারী ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।