ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে ফের ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা ও আত্মসাৎ ঘটনার হোতা প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এখন পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছে ইডি।

এর আগে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ মঙ্গলবার (১৭ মে) কলকাতার ব্যাংকশাল আদালতে (স্পেশাল কোর্ট) তোলা হয় পি কে হালদারকে। এ সময় ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ইডি।

এদিন সকালে ইডির আঞ্চলিক দপ্তর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে পিকে হালদারকে নিয়ে যাওয়ার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে মেডিকেল চেকআপ করে ফের ৯.৩০ নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্স নিয়ে আসা হয়। এসময় গণমাধ্যমের কর্মীরা প্রশ্ন করলে একটি প্রশ্নেরও উত্তর দেননি পি কে।

১০ হাজার কোটি টাকা তছরুপের মামলার এই হাইপ্রোফাইল আসামি প্রায় ১০০ ঘণ্টার বেশি রয়েছেন এক পোশাকে। ইডি সূত্রে বলা হচ্ছে, তার নিকটাত্মীয় বা পরিচিত পরিচয়ে কেউ এগিয়ে এসে তার বা তার সাথীদের পোশাক দিতে আসেননি। তাই এক পোশাকেই তাদের দিন পার হচ্ছে।

গত শুক্রবার (১৩ মে) পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পি কেসহ মোট ৬ জনকে আটক করা হয়। শনিবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাদের হেফাজতে নেয় ইডি।

২০০২ সালের ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (পিএমএলএ) এর অধীন গ্রেপ্তার হওয়া পি কে হালদার ছাড়াও অন্য নাগরিকরা হলেন প্রাণেশ কুমার হালদার, স্বপন মিত্র ওরফে স্বপন মিস্ত্রি, উত্তম মৈত্র ওরফে উত্তম মিস্ত্রি, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শারমিন হালদার। গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনকেই রোববার পিএমএলএ’ এর আওতাধীন বিশেষ আদালতে তোলা হলে ৫ জনকে ইডির রিমান্ডে নেয়া হয় একজনকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতে ফের ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২

কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা ও আত্মসাৎ ঘটনার হোতা প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এখন পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছে ইডি।

এর আগে তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ মঙ্গলবার (১৭ মে) কলকাতার ব্যাংকশাল আদালতে (স্পেশাল কোর্ট) তোলা হয় পি কে হালদারকে। এ সময় ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ইডি।

এদিন সকালে ইডির আঞ্চলিক দপ্তর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে পিকে হালদারকে নিয়ে যাওয়ার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে মেডিকেল চেকআপ করে ফের ৯.৩০ নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্স নিয়ে আসা হয়। এসময় গণমাধ্যমের কর্মীরা প্রশ্ন করলে একটি প্রশ্নেরও উত্তর দেননি পি কে।

১০ হাজার কোটি টাকা তছরুপের মামলার এই হাইপ্রোফাইল আসামি প্রায় ১০০ ঘণ্টার বেশি রয়েছেন এক পোশাকে। ইডি সূত্রে বলা হচ্ছে, তার নিকটাত্মীয় বা পরিচিত পরিচয়ে কেউ এগিয়ে এসে তার বা তার সাথীদের পোশাক দিতে আসেননি। তাই এক পোশাকেই তাদের দিন পার হচ্ছে।

গত শুক্রবার (১৩ মে) পশ্চিমবঙ্গের ১১টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পি কেসহ মোট ৬ জনকে আটক করা হয়। শনিবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাদের হেফাজতে নেয় ইডি।

২০০২ সালের ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (পিএমএলএ) এর অধীন গ্রেপ্তার হওয়া পি কে হালদার ছাড়াও অন্য নাগরিকরা হলেন প্রাণেশ কুমার হালদার, স্বপন মিত্র ওরফে স্বপন মিস্ত্রি, উত্তম মৈত্র ওরফে উত্তম মিস্ত্রি, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শারমিন হালদার। গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনকেই রোববার পিএমএলএ’ এর আওতাধীন বিশেষ আদালতে তোলা হলে ৫ জনকে ইডির রিমান্ডে নেয়া হয় একজনকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।