ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ইনুর রায় যে কোনো দিন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনার অভিযোগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় যে কোনো দিন ঘোষণা করা হবে। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উসকানি ও প্ররোচনা দিয়েছেন ইনু। তার প্ররোচনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকার বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে এসব অপরাধের ঊর্ধ্বতন দায়ও ইনুর ওপর বর্তায় বলে দাবি প্রসিকিউশনের।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ।

শুনানিতে প্রসিকিউশন শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর টেলিফোনে কথোপকথনের একটি রেকর্ড আদালতে উপস্থাপন করে। সেখানে ইনুকে গণআন্দোলনকে ‘জঙ্গিবাদ’ আখ্যা দিয়ে তা দমনের পক্ষে বক্তব্য দিতে শোনা যায় বলে দাবি করা হয়।

তবে আসামিপক্ষের দাবি, ওই কথোপকথনের কোথাও আন্দোলন দমনে গুলি, বোমা হামলা বা নির্যাতনের নির্দেশ কিংবা উসকানিমূলক বক্তব্য নেই। প্রসিকিউশনের দাখিল করা কোনো নথিতেও ইনুর বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা বা নির্যাতনে প্ররোচনার প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে ইনুর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি দাবি করে তার খালাস প্রার্থনা করেছে আসামিপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ইনুর রায় যে কোনো দিন

আপডেট সময় : ০৫:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনার অভিযোগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় যে কোনো দিন ঘোষণা করা হবে। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উসকানি ও প্ররোচনা দিয়েছেন ইনু। তার প্ররোচনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকার বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে এসব অপরাধের ঊর্ধ্বতন দায়ও ইনুর ওপর বর্তায় বলে দাবি প্রসিকিউশনের।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ।

শুনানিতে প্রসিকিউশন শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর টেলিফোনে কথোপকথনের একটি রেকর্ড আদালতে উপস্থাপন করে। সেখানে ইনুকে গণআন্দোলনকে ‘জঙ্গিবাদ’ আখ্যা দিয়ে তা দমনের পক্ষে বক্তব্য দিতে শোনা যায় বলে দাবি করা হয়।

তবে আসামিপক্ষের দাবি, ওই কথোপকথনের কোথাও আন্দোলন দমনে গুলি, বোমা হামলা বা নির্যাতনের নির্দেশ কিংবা উসকানিমূলক বক্তব্য নেই। প্রসিকিউশনের দাখিল করা কোনো নথিতেও ইনুর বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা বা নির্যাতনে প্ররোচনার প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে ইনুর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি দাবি করে তার খালাস প্রার্থনা করেছে আসামিপক্ষ।