ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

স্পোটর্স ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তীব্র কূটনৈতিক বিরোধ এবং ভিসা জটিলতার মধ্যেই আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য রোববার (৭ জুন) মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরানের জাতীয় ফুটবল দল। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি প্রতিনিধিদলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের ভিসা প্রত্যাখ্যান করার ঠিক একদিন পর ইরানি স্কোয়াড মেক্সিকোতে তাদের নির্ধারিত বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পে এসে পৌঁছায়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের বিশ্বকাপ দলটি তুরস্ক থেকে একটি রাতভর ফ্লাইটে রওনা হয়ে ভোর ৫টার কিছু পরে মেক্সিকোর টিহুয়ানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই মেক্সিকান শহরেই গত তিন সপ্তাহ ধরে তুরস্কে নিবিড় অনুশীলন শেষে এসে পৌঁছাল তারা। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার কারণে ইরানি ফুটবল ফেডারেশন শেষ মুহূর্তে তাদের বেস ক্যাম্প অ্যারিজোনা থেকে পরিবর্তন করে মেক্সিকোতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।

ইরানি ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া তথ্যমতে, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার মাত্র ১০ দিন আগে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের সব খেলোয়াড়কে ভিসা দেওয়া হলেও দলের সাপোর্ট স্টাফ ও অফিশিয়ালদের একটি বড় অংশকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। ভিসা বঞ্চিতদের তালিকায় দলের বেশ কয়েকজন “গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপক ও প্রশাসনিক সদস্য” রয়েছেন, যা দলটির বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে বিশ্বমঞ্চের পর্দা ওঠার মাত্র কয়েক দিন আগে এই প্রশাসনিক বিবাদটি প্রকাশ্যে এলো।

টুর্নামেন্ট চলাকালীন পুরো সময় জুড়ে ইরান দল মেক্সিকোর এই শহরেই অবস্থান করবে, যদিও তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে। ম্যাচ খেলার জন্য যখন ইরানি দলটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবে, তখন তা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব নজির স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো আয়োজক দেশ তাদের সঙ্গে সরাসরি দ্বন্দ্বে বা যুদ্ধাবস্থায় থাকা কোনো দেশের জাতীয় দলকে ক্রীড়াঙ্গনে আতিথ্য দিতে যাচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

আপডেট সময় : ০৩:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তীব্র কূটনৈতিক বিরোধ এবং ভিসা জটিলতার মধ্যেই আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য রোববার (৭ জুন) মেক্সিকোতে পৌঁছেছে ইরানের জাতীয় ফুটবল দল। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি প্রতিনিধিদলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের ভিসা প্রত্যাখ্যান করার ঠিক একদিন পর ইরানি স্কোয়াড মেক্সিকোতে তাদের নির্ধারিত বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পে এসে পৌঁছায়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের বিশ্বকাপ দলটি তুরস্ক থেকে একটি রাতভর ফ্লাইটে রওনা হয়ে ভোর ৫টার কিছু পরে মেক্সিকোর টিহুয়ানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই মেক্সিকান শহরেই গত তিন সপ্তাহ ধরে তুরস্কে নিবিড় অনুশীলন শেষে এসে পৌঁছাল তারা। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার কারণে ইরানি ফুটবল ফেডারেশন শেষ মুহূর্তে তাদের বেস ক্যাম্প অ্যারিজোনা থেকে পরিবর্তন করে মেক্সিকোতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।

ইরানি ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া তথ্যমতে, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার মাত্র ১০ দিন আগে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের সব খেলোয়াড়কে ভিসা দেওয়া হলেও দলের সাপোর্ট স্টাফ ও অফিশিয়ালদের একটি বড় অংশকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। ভিসা বঞ্চিতদের তালিকায় দলের বেশ কয়েকজন “গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপক ও প্রশাসনিক সদস্য” রয়েছেন, যা দলটির বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে বিশ্বমঞ্চের পর্দা ওঠার মাত্র কয়েক দিন আগে এই প্রশাসনিক বিবাদটি প্রকাশ্যে এলো।

টুর্নামেন্ট চলাকালীন পুরো সময় জুড়ে ইরান দল মেক্সিকোর এই শহরেই অবস্থান করবে, যদিও তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে। ম্যাচ খেলার জন্য যখন ইরানি দলটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবে, তখন তা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব নজির স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো আয়োজক দেশ তাদের সঙ্গে সরাসরি দ্বন্দ্বে বা যুদ্ধাবস্থায় থাকা কোনো দেশের জাতীয় দলকে ক্রীড়াঙ্গনে আতিথ্য দিতে যাচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা