ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ বিশ্ব পরিবার দিবস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ ১৫ মে, শুক্রবার, বিশ্ব পরিবার দিবস। পরিবারের প্রতি পারস্পরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং সমাজ গঠনে পরিবারের গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ মে দিবসটি ঘোষিত হয় এবং ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এটি পালিত হয়ে আসছে।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে-‘পরিবার, বৈষম্য ও শিশু কল্যাণ’। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ক্রমবর্ধমান আয়বৈষম্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল সুযোগের অসমতা শিশুদের ভবিষ্যৎ জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করছে, তা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করাই এবারের প্রতিপাদ্যের মূল উদ্দেশ্য।

সামাজিক কাঠামোর প্রথম ও প্রধান একক হলো পরিবার। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়েই একটি শিশু আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। পরিবারকে বলা হয় সমাজ ও রাষ্ট্রের আয়না। তবে আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই পারিবারিক বন্ধন শিথিল হয়ে পড়ছে, যার ফলে সমাজে অস্থিরতা ও নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ধর্মীয় ও সামাজিক উভয় বিধানই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

একটি আদর্শ পরিবারের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সবার মিলেমিশে একত্রে বসবাস করা। পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু বিবেচনা করে সদস্যদের সুখ ও সমৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য। বিশেষ করে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে একটি সুস্থ পারিবারিক পরিবেশের কোনো বিকল্প নেই।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দিবসটি উপলক্ষে আজ বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবারের সবার সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হচ্ছে। সামাজিক শান্তি ও বিশ্ব সমৃদ্ধি অর্জনে পরিবারের ভিত্তি মজবুত করা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ বিশ্ব পরিবার দিবস

আপডেট সময় : ১২:৪০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

আজ ১৫ মে, শুক্রবার, বিশ্ব পরিবার দিবস। পরিবারের প্রতি পারস্পরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং সমাজ গঠনে পরিবারের গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ মে দিবসটি ঘোষিত হয় এবং ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এটি পালিত হয়ে আসছে।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে-‘পরিবার, বৈষম্য ও শিশু কল্যাণ’। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ক্রমবর্ধমান আয়বৈষম্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল সুযোগের অসমতা শিশুদের ভবিষ্যৎ জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করছে, তা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করাই এবারের প্রতিপাদ্যের মূল উদ্দেশ্য।

সামাজিক কাঠামোর প্রথম ও প্রধান একক হলো পরিবার। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়েই একটি শিশু আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। পরিবারকে বলা হয় সমাজ ও রাষ্ট্রের আয়না। তবে আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই পারিবারিক বন্ধন শিথিল হয়ে পড়ছে, যার ফলে সমাজে অস্থিরতা ও নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ধর্মীয় ও সামাজিক উভয় বিধানই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

একটি আদর্শ পরিবারের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সবার মিলেমিশে একত্রে বসবাস করা। পরিবারকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু বিবেচনা করে সদস্যদের সুখ ও সমৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য। বিশেষ করে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে একটি সুস্থ পারিবারিক পরিবেশের কোনো বিকল্প নেই।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দিবসটি উপলক্ষে আজ বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবারের সবার সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হচ্ছে। সামাজিক শান্তি ও বিশ্ব সমৃদ্ধি অর্জনে পরিবারের ভিত্তি মজবুত করা এখন সময়ের দাবি।