ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কানাডার ফান্ডিং বন্ধ করে দিলো আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বোর্ডের অপশাসন ও আর্থিক তদারকি সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে শাস্তির মুখে পড়ল কানাডার ক্রিকেট বোর্ড। আগামী ছয় মাস দেশটির ক্রিকেট বোর্ডকে কোনো ফান্ডিং দেবে না বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই বিষয়টি ক্রিকেট কানাডাকে জানানো হয়েছে। তবে ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে আপাতত কানাডার ক্রিকেটীয় কার্যক্রম বা হাই পারফরম্যান্স কর্মসূচিতে প্রভাব পড়বে না।

তবু সহযোগী সদস্য হওয়ায় আইসিসির অর্থের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ক্রিকেট কানাডার জন্য এটি বড় ধাক্কা।

২০২৪ অর্থবছরের হিসেবে দেখা গেছে, ক্রিকেট কানাডার মোট আয় ছিল ৫৭ লাখ কানাডিয়ান ডলার। এর মধ্যে ৩৬ লাখ ডলারই এসেছে আইসিসি থেকে, যা মোট আয়ের প্রায় ৬৩ শতাংশ।

ঠিক কী ধরনের সুশাসন সংক্রান্ত ব্যর্থতার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে কানাডার অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ফিফথ এস্টেট-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির নীতিমালা লঙ্ঘন, দুর্বল প্রশাসন এবং আর্থিক তদারকির ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মাঠ ও মাঠের বাইরে নানা বিতর্কে জড়িয়েছে ক্রিকেট কানাডা। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডা ও নিউ জিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ নিয়েও তদন্ত করছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকু)।

এছাড়া আরেকটি তদন্ত চলছে সাবেক কোচ খুররাম চৌহানকে ঘিরে ফাঁস হওয়া এক ফোনালাপ নিয়ে। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, বোর্ডের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা জাতীয় দলে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।

ওই অডিওতে ম্যাচ পাতানোর চেষ্টার অভিযোগও ছিল।

গত মাসে ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া এক বক্তব্যে আইসিসির অন্তর্বর্তীকালীন অ্যান্টি–ইন্টেগ্রিটি প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ বলেছিলেন, সদস্য দেশগুলোর সুশাসন-সংক্রান্ত বিষয় আইসিসির সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়।

প্রশাসনিক অস্থিরতাও পিছু ছাড়েনি ক্রিকেট কানাডার। সাবেক প্রধান নির্বাহী সালমান খানের নিয়োগ ও পরে অপসারণ ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। অতীতের ফৌজদারি অভিযোগ গোপন রাখার বিষয়টি আইসিসির নজরে আসে। পরে ক্যালগারি পুলিশ তার বিরুদ্ধে চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ আনে, যদিও সালমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কানাডার ফান্ডিং বন্ধ করে দিলো আইসিসি

আপডেট সময় : ১২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

বোর্ডের অপশাসন ও আর্থিক তদারকি সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে শাস্তির মুখে পড়ল কানাডার ক্রিকেট বোর্ড। আগামী ছয় মাস দেশটির ক্রিকেট বোর্ডকে কোনো ফান্ডিং দেবে না বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই বিষয়টি ক্রিকেট কানাডাকে জানানো হয়েছে। তবে ইএসপিএনক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তে আপাতত কানাডার ক্রিকেটীয় কার্যক্রম বা হাই পারফরম্যান্স কর্মসূচিতে প্রভাব পড়বে না।

তবু সহযোগী সদস্য হওয়ায় আইসিসির অর্থের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ক্রিকেট কানাডার জন্য এটি বড় ধাক্কা।

২০২৪ অর্থবছরের হিসেবে দেখা গেছে, ক্রিকেট কানাডার মোট আয় ছিল ৫৭ লাখ কানাডিয়ান ডলার। এর মধ্যে ৩৬ লাখ ডলারই এসেছে আইসিসি থেকে, যা মোট আয়ের প্রায় ৬৩ শতাংশ।

ঠিক কী ধরনের সুশাসন সংক্রান্ত ব্যর্থতার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে কানাডার অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ফিফথ এস্টেট-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির নীতিমালা লঙ্ঘন, দুর্বল প্রশাসন এবং আর্থিক তদারকির ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মাঠ ও মাঠের বাইরে নানা বিতর্কে জড়িয়েছে ক্রিকেট কানাডা। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডা ও নিউ জিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ নিয়েও তদন্ত করছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকু)।

এছাড়া আরেকটি তদন্ত চলছে সাবেক কোচ খুররাম চৌহানকে ঘিরে ফাঁস হওয়া এক ফোনালাপ নিয়ে। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, বোর্ডের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা জাতীয় দলে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।

ওই অডিওতে ম্যাচ পাতানোর চেষ্টার অভিযোগও ছিল।

গত মাসে ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া এক বক্তব্যে আইসিসির অন্তর্বর্তীকালীন অ্যান্টি–ইন্টেগ্রিটি প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ বলেছিলেন, সদস্য দেশগুলোর সুশাসন-সংক্রান্ত বিষয় আইসিসির সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়।

প্রশাসনিক অস্থিরতাও পিছু ছাড়েনি ক্রিকেট কানাডার। সাবেক প্রধান নির্বাহী সালমান খানের নিয়োগ ও পরে অপসারণ ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। অতীতের ফৌজদারি অভিযোগ গোপন রাখার বিষয়টি আইসিসির নজরে আসে। পরে ক্যালগারি পুলিশ তার বিরুদ্ধে চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ আনে, যদিও সালমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।