ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারলে ‘সম্মানিত বোধ করব’: ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ০৯:০৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানে কোনো চুক্তি অর্জিত হলে ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনির সাথে বৈঠকে বসতে ‘সম্মানিত বোধ করবেন’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তার (মুজতবা খামেনি) সাথে সাক্ষাৎ করতে পারলে আমি সম্মানিত বোধ করব। তিনি আরও যোগ করেন, যদি আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারি, তবে আমাদের বৈঠক হওয়া সম্ভব। আমি এতে সম্মত।
সম্প্রতি ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস (বিশেষজ্ঞ পরিষদ) এক জরুরি অধিবেশনে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনিকে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার পুত্র এবং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজতবা খামেনি এই দায়িত্ব লাভ করেন।
ট্রাম্পের এই আলোচনার প্রস্তাবকে মার্কিন সুরক্ষানীতিতে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই আলোচনার আবহ তৈরি হলেও ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের অনৈতিক নৌ-অবরোধ বহাল রয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে একে গত ৮ এপ্রিল ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন বলে বারবার নিন্দা জানানো হয়েছে।
ওভাল অফিসের ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প স্বীকার করেন যে, যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ জব্দ করতে একটি গোপন সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা তিনি বিবেচনা করেছিলেন, তবে পরে তা বাতিল করা হয়। দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
১৯৮০ সালে ইরানে মার্কিন জিম্মি উদ্ধারে ব্যর্থ সামরিক অভিযান এবং এর ফলে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের রাজনৈতিক পতনের স্মৃতি স্মরণ করে ট্রাম্প বলেন, আমি জিমি কার্টার হতে চাইনি। আমার জিমি কার্টার হওয়ার কোনো শখ ছিল না।
তিনি আরও জানান, ইরান থেকে ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিতে ভারী যন্ত্রপাতিসহ কয়েক সপ্তাহ সেখানে অবস্থান করার প্রয়োজন ছিল। ভেনেজুয়েলার উদাহরণ টেনে ট্রাম্প বলেন, এটি ভেনেজুয়েলার মতো সহজ কোনো বিষয় নয় যে, কয়েক মিনিটে কাজ শেষ করে বিদায় নেওয়া যাবে। এখানে বড় বড় সরঞ্জাম এয়ারলিফটের প্রয়োজন ছিল এবং সেটি একটি যুদ্ধক্ষেত্রের ভেতর। সূত্র: প্রেস টিভি

























রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী