ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বৃত্তান্ত২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি ‘উপহাসমূলক’ মন্তব্যকে প্রতিবাদের প্রতীকে রূপ দিয়ে গড়ে ওঠা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাইরাল সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এবার রাজপথে বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে মহারাষ্ট্রের সাবিত্রীবাঈ ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সরকারি জবাবদিহিতার দাবিতে এক মাসব্যাপী ধারাবাহিক আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করলো জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের এই ব্যতিক্রমী সংগঠনটি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সমাবেশে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের সাথে সংহতি জানিয়ে যোগ দেন ভারতের খ্যাতনামা পরিবেশ ও শিক্ষা আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক। সমাবেশে বক্তারা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় ‘নিট-ইউজি ২০২৬’  পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশনের অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় চরম অনিয়মের তীব্র সমালোচনা করেন। কোটি কোটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনির খেলার অভিযোগ তুলে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্ব পদত্যাগ দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
সমাবেশ থেকে সিজেপি তাদের ৫ দফা ‘শিক্ষা ইশতেহার’ প্রকাশ করে এবং পুনে থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। তাদের এই ধারাবাহিক বিক্ষোভ কর্মসূচি জয়পুর, লক্ষ্ণৌ, অমৃতসর, বেঙ্গালুরু এবং হায়দরাবাদ হয়ে আগামী ২০ জুন পুনরায় নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে এক বিশাল অবস্থান ধর্মঘটের মাধ্যমে শেষ হবে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একদল ভুয়া সনদধারী ও কর্মহীন তরুণকে সমাজের ‘তেলাপোকা’  বা পরজীবীর সাথে তুলনা করেছিলেন। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে ভারতের বেকার যুবসমাজ। তারা ক্ষোভকে উপহাসে রূপ দিয়ে মে মাসে ইনস্টাগ্রামে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি প্যারোডি পেজ খোলে, যা মাত্র কয়েক দিনেই নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপিকেও ছাড়িয়ে ১৫ মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার অর্জন করে। এখন সেই অনলাইন ক্ষোভই ভারতের রাজপথ কাঁপানো এক বাস্তব গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি ‘উপহাসমূলক’ মন্তব্যকে প্রতিবাদের প্রতীকে রূপ দিয়ে গড়ে ওঠা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাইরাল সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এবার রাজপথে বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে মহারাষ্ট্রের সাবিত্রীবাঈ ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সরকারি জবাবদিহিতার দাবিতে এক মাসব্যাপী ধারাবাহিক আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করলো জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের এই ব্যতিক্রমী সংগঠনটি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সমাবেশে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের সাথে সংহতি জানিয়ে যোগ দেন ভারতের খ্যাতনামা পরিবেশ ও শিক্ষা আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক। সমাবেশে বক্তারা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় ‘নিট-ইউজি ২০২৬’  পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশনের অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় চরম অনিয়মের তীব্র সমালোচনা করেন। কোটি কোটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনির খেলার অভিযোগ তুলে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্ব পদত্যাগ দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
সমাবেশ থেকে সিজেপি তাদের ৫ দফা ‘শিক্ষা ইশতেহার’ প্রকাশ করে এবং পুনে থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। তাদের এই ধারাবাহিক বিক্ষোভ কর্মসূচি জয়পুর, লক্ষ্ণৌ, অমৃতসর, বেঙ্গালুরু এবং হায়দরাবাদ হয়ে আগামী ২০ জুন পুনরায় নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে এক বিশাল অবস্থান ধর্মঘটের মাধ্যমে শেষ হবে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একদল ভুয়া সনদধারী ও কর্মহীন তরুণকে সমাজের ‘তেলাপোকা’  বা পরজীবীর সাথে তুলনা করেছিলেন। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে ভারতের বেকার যুবসমাজ। তারা ক্ষোভকে উপহাসে রূপ দিয়ে মে মাসে ইনস্টাগ্রামে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি প্যারোডি পেজ খোলে, যা মাত্র কয়েক দিনেই নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপিকেও ছাড়িয়ে ১৫ মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার অর্জন করে। এখন সেই অনলাইন ক্ষোভই ভারতের রাজপথ কাঁপানো এক বাস্তব গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে।